জ্বালানি সংকটের দীর্ঘমেয়াদি আশঙ্কা, প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে এমন প্রত্যাশা এখন আর করছে না সরকারগুলো। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে তেল ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ফলে বিকল্প উৎস খোঁজার দিকে ঝুঁকছে এশিয়ার অর্থনীতিগুলো। দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি দামে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হিলিয়াম আমদানি করছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ওমানের সঙ্গে তেল-গ্যাস সরবরাহ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে, যাতে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে জ্বালানি পাওয়া যায়। এছাড়া জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে উপসাগরীয় অঞ্চলে কয়েকটি ট্যাংকারও পাঠিয়েছে সিউল। দেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো হচ্ছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শুধু দক্ষিণ কোরিয়া নয়, পুরো এশিয়াজুড়েই একই ধরনের প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে। সরকারগুলো এই সংকটকে সাময়িক নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করছে। বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে এমন প্রত্যাশা এখন আর করছে না সরকারগুলো।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে তেল ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ফলে বিকল্প উৎস খোঁজার দিকে ঝুঁকছে এশিয়ার অর্থনীতিগুলো।
দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি দামে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হিলিয়াম আমদানি করছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ওমানের সঙ্গে তেল-গ্যাস সরবরাহ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে, যাতে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে জ্বালানি পাওয়া যায়।
এছাড়া জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে উপসাগরীয় অঞ্চলে কয়েকটি ট্যাংকারও পাঠিয়েছে সিউল। দেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো হচ্ছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শুধু দক্ষিণ কোরিয়া নয়, পুরো এশিয়াজুড়েই একই ধরনের প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে। সরকারগুলো এই সংকটকে সাময়িক নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করছে।
বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। বিনিয়োগকারীরা একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিগত অবস্থান, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিবর্তন, দুটিই বিবেচনায় নিচ্ছেন।
What's Your Reaction?