জয়ী হয়ে ৩০ বছর আগের নিয়ত পূর্ণ করলেন ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৭৪ হাজার ৬৪৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির আলোচিত নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। জয়ের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, “৩০ বছর আগে আমি নিয়ত করেছিলাম—আল্লাহ যদি আমাকে পাস করান, তাহলে এই মসজিদে দুই রাকাত জুমার নামাজ আদায় করব। আজ আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়ায় আল্লাহ আমার সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন। এজন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।” শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বড়হাটি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শাহি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। ফজলুর রহমান বলেন, “আমার এলাকার জনগণ শত নির্যাতন ও অসুবিধা সহ্য করেও আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। তাঁদের প্রতি আমার সালাম ও কৃতজ্ঞতা। আপনাদের জন্য যা করার দরকার, উন্নয়নের জন্য যতটুকু আমার দ্বারা সম্ভব এবং বাংলাদেশের জন্য সংগতিপূর্ণ সব কাজ করার চেষ্টা করব।” তিনি আরও বলেন, “বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর কয়েক বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধকে চিরতরে অন্ধকারে নিক্ষেপ করার জন্য মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছিল। বাংলাদেশ যখন

জয়ী হয়ে ৩০ বছর আগের নিয়ত পূর্ণ করলেন ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৭৪ হাজার ৬৪৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির আলোচিত নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান।

জয়ের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, “৩০ বছর আগে আমি নিয়ত করেছিলাম—আল্লাহ যদি আমাকে পাস করান, তাহলে এই মসজিদে দুই রাকাত জুমার নামাজ আদায় করব। আজ আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়ায় আল্লাহ আমার সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন। এজন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।”

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বড়হাটি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শাহি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

ফজলুর রহমান বলেন, “আমার এলাকার জনগণ শত নির্যাতন ও অসুবিধা সহ্য করেও আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। তাঁদের প্রতি আমার সালাম ও কৃতজ্ঞতা। আপনাদের জন্য যা করার দরকার, উন্নয়নের জন্য যতটুকু আমার দ্বারা সম্ভব এবং বাংলাদেশের জন্য সংগতিপূর্ণ সব কাজ করার চেষ্টা করব।”

তিনি আরও বলেন, “বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর কয়েক বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধকে চিরতরে অন্ধকারে নিক্ষেপ করার জন্য মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছিল। বাংলাদেশ যখন নিশ্চুপ ছিল—ভয়ে হোক, ভীতির কারণে হোক কিংবা স্বার্থের কারণে—তখন একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি বাংলাদেশের পক্ষে আমার কণ্ঠ উচ্চকিত করেছিলাম।”

নিজের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ফজলুর রহমান বলেন, “৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, মানুষের মুক্তির পক্ষে, এ দেশের অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে, মানুষের চাকরি ও কর্মসংস্থানের পক্ষে যে ভূমিকা রেখেছি, সেখান থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরে যাব না। বরং আরও সাহসিকতার সঙ্গে এসব বিষয় সংসদে তুলে ধরব এবং বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।”

তিনি এলাকার জনগণ, দল বিএনপি, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আশা করছি, দলের পক্ষে আমি কঠিন, বড় ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারব।”

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, আসনটির ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে ও পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীকে ফজলুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৭২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজা পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮২৯ ভোট।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow