জয়ে ফিরে রিয়ালকে শীর্ষস্থান থেকে নামাল বার্সা

লামিনে ইয়ামাল চোখ ধাঁধানো এক গোল করলেন। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রিয়াল ওভিয়েদোর বিপক্ষে বার্সেলোনার ৩-০ ব্যবধানের জয়ে তার এই গোল নজর কেড়েছে। বড় এই জয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করল বার্সা। আগের লিগ ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে হেরেছিল তারা। ​দানি ওলমো ও ফর্মে থাকা রাফিনহাও গোল করেছেন। তবে ইয়ামালের অ্যাক্রোবেটিক প্রচেষ্টার কাছে ম্লান হয়ে গিয়েছিল তাদের গোল। হ্যান্সি ফ্লিকের দল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের ওপর তাদের এক পয়েন্টের ব্যবধান ধরে রাখল। ​১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল ওলমোর ক্রস পেনাল্টি এরিয়ার প্রান্তে পেয়ে শট নেন। সেটি গোলরক্ষক অ্যারন এসকান্দেলকে পরাস্ত করে দূরের পোস্টের ভেতর দিয়ে জালে জড়ায়। ​দ্বিতীয়ার্ধে বার্সা ঘুরে দাঁড়ায়। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ থেকে কোনো জয় না পাওয়া ওভিয়েদো প্রথম ৪৫ মিনিট স্বাগতিকদের হতাশ করে।  ​প্রথমার্ধের পুরো সময়ে বার্সেলোনা যতগুলো শট লক্ষ্যে রেখেছিল, দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম নয় মিনিটেই তারা তার চেয়ে বেশি দুটি শট লক্ষ্যে রাখে। রাফিনহার শট ইনজুরি টাইমে এসকান্দেলকে পরীক্ষা করে। দ্বিতীয়ার্ধে বার্সা প্রথম সুযোগটিই গোল বানায়। ​রবার্ট লেভানডোভস্কি ও ওলমো দুজনেই ভালো

জয়ে ফিরে রিয়ালকে শীর্ষস্থান থেকে নামাল বার্সা

লামিনে ইয়ামাল চোখ ধাঁধানো এক গোল করলেন। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রিয়াল ওভিয়েদোর বিপক্ষে বার্সেলোনার ৩-০ ব্যবধানের জয়ে তার এই গোল নজর কেড়েছে। বড় এই জয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করল বার্সা। আগের লিগ ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে হেরেছিল তারা।

​দানি ওলমো ও ফর্মে থাকা রাফিনহাও গোল করেছেন। তবে ইয়ামালের অ্যাক্রোবেটিক প্রচেষ্টার কাছে ম্লান হয়ে গিয়েছিল তাদের গোল। হ্যান্সি ফ্লিকের দল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের ওপর তাদের এক পয়েন্টের ব্যবধান ধরে রাখল।

​১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল ওলমোর ক্রস পেনাল্টি এরিয়ার প্রান্তে পেয়ে শট নেন। সেটি গোলরক্ষক অ্যারন এসকান্দেলকে পরাস্ত করে দূরের পোস্টের ভেতর দিয়ে জালে জড়ায়।

​দ্বিতীয়ার্ধে বার্সা ঘুরে দাঁড়ায়। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ থেকে কোনো জয় না পাওয়া ওভিয়েদো প্রথম ৪৫ মিনিট স্বাগতিকদের হতাশ করে। 

​প্রথমার্ধের পুরো সময়ে বার্সেলোনা যতগুলো শট লক্ষ্যে রেখেছিল, দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম নয় মিনিটেই তারা তার চেয়ে বেশি দুটি শট লক্ষ্যে রাখে। রাফিনহার শট ইনজুরি টাইমে এসকান্দেলকে পরীক্ষা করে। দ্বিতীয়ার্ধে বার্সা প্রথম সুযোগটিই গোল বানায়।

​রবার্ট লেভানডোভস্কি ও ওলমো দুজনেই ভালো সুযোগ পেয়ে লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন। তারপর ৫২ মিনিটে ওলমো ডেডলক ভাঙেন।

ইয়ামালের চাপে থাকা কোয়াসি সিবো বলটি ওলমোর দিকেই পাঠাতে পেরেছিলেন, তারপর ১৬ গজ দূর থেকে একটি কোণাকুণি শটে গোল করেন। এরপর লেভানডোভস্কির একটি হেডার এসকান্দেল রুখে দেন। কিন্তু এরপরই রাফিনহা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন; ডিফেন্ডার ডেভিড কোস্টাস উইঙ্গারের চাপে পড়ে অত্যন্ত দুর্বল ব্যাকপাস দিলে গোলরক্ষক তাকে আটকাতে এগিয়ে আসেন, আর রাফিনহা তার মাথার ওপর দিয়ে চমৎকার চিপ শটে ৫৭ মিনিটে গোলটি করেন।

যদিও সেটি মুগ্ধতা ছড়িয়েছে, কিন্তু সেরা মুহূর্তটি আসা তখনও বাকি ছিল—ইয়ামাল বড়দিনের পর মাত্র তার দ্বিতীয় গোলটি করেন ৭৩তম মিনিটে।

এই গোল স্বাগতিকদের জন্য ম্যাচে স্বস্তি ফেরায়। তবে শুরুর ৪৫ মিনিট মোটেও তেমন ছিল না। ওভিয়েদোর ইলিয়াস চাইরা একটি শট পোস্টের সামান্য বাইরে মারেন এবং হাইসেম হাসান বার্সেলোনা কিপার জোয়ান গার্সিয়াকে সেভ করতে বাধ্য করেন।

​এরপর চাইরা একটি দুরূহ কোণ থেকে আবারো গার্সিয়াকে পরীক্ষা করেন। অন্যদিকে, প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে রাফিনহার শটটিই ছিল এসকান্দেলের নেওয়া প্রথম পরীক্ষা।

গতকাল রিয়াল জিতে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠেছিল। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই তা ফিরে পেল বার্সা। ২১ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট তাদের।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow