জয় ও পলকের বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষীর জবানবন্দি আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের চতুর্থ সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার আজ তারিখ ধার্য রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জবানবন্দি নেওয়া হতে পারে। গত ১৩ এপ্রিল সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন সাক্ষীকে জেরা করেন পলকের আইনজীবী আমিনুল গনি টিটো ও লিটন আহমেদ এবং জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মঞ্জুর আলম। জেরা শেষে পরবর্তী সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য ১৬ এপ্রিল দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে আদালতে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। সূচনা বক্তব্যে প্রসিকিউশন জয় ও পলককে জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করে। গত ২১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকে আসতো এবং

জয় ও পলকের বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষীর জবানবন্দি আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের চতুর্থ সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার আজ তারিখ ধার্য রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জবানবন্দি নেওয়া হতে পারে।

গত ১৩ এপ্রিল সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন সাক্ষীকে জেরা করেন পলকের আইনজীবী আমিনুল গনি টিটো ও লিটন আহমেদ এবং জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মঞ্জুর আলম। জেরা শেষে পরবর্তী সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য ১৬ এপ্রিল দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে আদালতে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। সূচনা বক্তব্যে প্রসিকিউশন জয় ও পলককে জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করে।

গত ২১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকে আসতো এবং সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতেন জুনায়েদ আহমেদ পলক। প্রসিকিউশনের দাবি, এসব কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে। যদিও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

অভিযোগ গঠন শুনানিতে পলকের আইনজীবী আদালতে বলেন, ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ পলক দেননি এবং এই সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আসতো। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ও গুজব প্রতিরোধে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল।

এই মামলার আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক রয়েছেন। অন্য আসামি জুনায়েদ আহমেদ পলক বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। অভিযোগ গঠনের দিন গত ২১ জানুয়ারি তাকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। অভিযোগ গঠনের জবাবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

গত ৪ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন। ওইদিন জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং আটক পলককে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়। ট্রাইব্যুনালে তাদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

এফএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow