ঝুট ব্যবসা দখলে নিতে শতাধিক মোটরসাইকেলের মহড়া
গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে ঝুট (কারখানার বর্জ্য) ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে শতাধিক মোটরসাইকেলের মহড়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মহড়ায় অংশ নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি কয়েকটি কারখানায় প্রবেশ করে নিজেদের ‘বড় নেতার লোক’ পরিচয় দিয়ে ঝুট ব্যবসা তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া অন্য কাউকে না দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। রোববার (২৮ জুন) টঙ্গী শিল্পনগরীর পাগার এলাকায় অবস্থিত হোসেন ডাইং কারখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। কারখানা সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১১টা ৫৭ মিনিটের দিকে হঠাৎ করে শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে একটি দল কারখানার সামনে জড়ো হয়। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলের উপস্থিতিতে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী, নিরাপত্তাকর্মী ও আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির কারণে আশপাশের কয়েকটি দোকানও বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেল বহরের কয়েকজন ব্যক্তি কারখানার ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দিলে পরে ৮ থেকে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে তারা নিজেদের পরিচয় দিয়ে কারখানার ঝুট
গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে ঝুট (কারখানার বর্জ্য) ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে শতাধিক মোটরসাইকেলের মহড়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, মহড়ায় অংশ নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি কয়েকটি কারখানায় প্রবেশ করে নিজেদের ‘বড় নেতার লোক’ পরিচয় দিয়ে ঝুট ব্যবসা তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া অন্য কাউকে না দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
রোববার (২৮ জুন) টঙ্গী শিল্পনগরীর পাগার এলাকায় অবস্থিত হোসেন ডাইং কারখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১১টা ৫৭ মিনিটের দিকে হঠাৎ করে শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে একটি দল কারখানার সামনে জড়ো হয়। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলের উপস্থিতিতে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী, নিরাপত্তাকর্মী ও আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির কারণে আশপাশের কয়েকটি দোকানও বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেল বহরের কয়েকজন ব্যক্তি কারখানার ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দিলে পরে ৮ থেকে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠকে তারা নিজেদের পরিচয় দিয়ে কারখানার ঝুট ব্যবসা তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া অন্য কাউকে না দেওয়ার কথা বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, তারা নিজেদের একজন বড় নেতার লোক পরিচয় দিয়ে এসেছিলেন। আমাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া ঝুট দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে গেছেন। ঘটনার সময় কারখানার ভেতরে বিদেশি ক্রেতার (বায়ার) প্রতিনিধি ছিলেন। বিষয়টি দেখে তারাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
কারখানার বর্তমান ঝুট ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান বলেন, আমরা নিয়ম মেনে দীর্ঘদিন ধরে ঝুটের ব্যবসা পরিচালনা করছি। এখানে অন্য কারো হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।
স্থানীয় কয়েকজন দোকানি জানান, হঠাৎ করে শত শত মোটরসাইকেলের বহর দেখে তারা ভীত হয়ে পড়েন। অনেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দোকান বন্ধ রাখেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, “ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। মহড়ার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?