ঝড়ে ঘাটে বাঁধা নৌকার দড়ি ছিঁড়ে মালিকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আকস্মিক কালবৈশাখি ঝড়ের কবলে পড়ে মিন্টু মিয়া (৩৮) নামে এক নৌকার মালিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ফরিদ হোসেন (৩২) নামে আরেক নৌকার মালিক ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজের প্রায় ১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিলমারী উপজেলার কড়াইবরিশালের গাজীরপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে প্রবল দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখি ঝড় শুরু হয়। এসময় ব্রহ্মপুত্র নদের ঘাটে বাঁধা নিজেদের নৌকা দেখতে যান নৌকার মালিক মিন্টু মিয়া ও ফরিদ হোসেন। ঝড়ের তীব্রতায় ঘাটে বাঁধা একটি নৌকা দড়ি ছিঁড়ে মিন্টু মিয়ার শরীরের ওপর আছড়ে পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন ও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে ঝড়ের তাণ্ডবে ফরিদ মিয়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন বলে স্থানীয়রা জানান। নিখোঁজ ফরিদ হোসেনকে খুঁজে পেতে স্বজন ও স্থানীয়রা রাত থেকেই নদীতে খোঁজাখুঁজি চালালেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। নিহত মিন্টু মিয়া ওই এলাকার শাহার উদ্দিনের ছেলে ও নিখোঁজ ফরিদ হোসন ইসহাক আলীর ছেলে বলে জানা গেছে। স্
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আকস্মিক কালবৈশাখি ঝড়ের কবলে পড়ে মিন্টু মিয়া (৩৮) নামে এক নৌকার মালিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ফরিদ হোসেন (৩২) নামে আরেক নৌকার মালিক ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজের প্রায় ১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিলমারী উপজেলার কড়াইবরিশালের গাজীরপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে প্রবল দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখি ঝড় শুরু হয়। এসময় ব্রহ্মপুত্র নদের ঘাটে বাঁধা নিজেদের নৌকা দেখতে যান নৌকার মালিক মিন্টু মিয়া ও ফরিদ হোসেন। ঝড়ের তীব্রতায় ঘাটে বাঁধা একটি নৌকা দড়ি ছিঁড়ে মিন্টু মিয়ার শরীরের ওপর আছড়ে পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন ও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে ঝড়ের তাণ্ডবে ফরিদ মিয়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন বলে স্থানীয়রা জানান। নিখোঁজ ফরিদ হোসেনকে খুঁজে পেতে স্বজন ও স্থানীয়রা রাত থেকেই নদীতে খোঁজাখুঁজি চালালেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
নিহত মিন্টু মিয়া ওই এলাকার শাহার উদ্দিনের ছেলে ও নিখোঁজ ফরিদ হোসন ইসহাক আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আঙ্গুর মিয়া জানান, ঘাটে বাঁধা নৌকা দেখতে গিয়ে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়েন তারা। এসময় একটি নৌকা মিন্টু মিয়ার শরীরের ওপর আছড়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় ও ফরিদ হোসন নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। রোববার সকাল ৯টার দিকে মিন্টু মিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে নিখোঁজ ফরিদ মিয়াকে উদ্ধারে স্বজন ও এলাকাবাসী এখনো নদীতে খোঁজাখুঁজি চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আসমা আক্তার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।
রোকনুজ্জামান মানু/এমএন/জেআইএম
What's Your Reaction?