টয়োটার এমডিসহ তিন কর্মকর্তাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ৫ মার্চ তাদের আদালতে হাজির হতে হবে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন বিবেচনা করে এই আদেশ দেন। আসামিরা হলেন- টয়োটা বাংলাদেশের এমডি মালয়েশিয়ার নাগরিক প্রেমিত সিং, টয়োটা টুশো এশিয়া-প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাপানি নাগরিক আকিও ওগাওয়া এবং টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান। মামলায় বলা হয়, বাংলাদেশে টয়োটা ব্র্যান্ডের একক ডিস্ট্রিবিউটর নাভানা লিমিটেডের ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তারা পরিকল্পিতভাবে নাভানা লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির বাজারে সুনাম ক্ষুণ্ন হয় এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডারকৃত গাড়ি ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেন। এছাড়া কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়ে

টয়োটার এমডিসহ তিন কর্মকর্তাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ৫ মার্চ তাদের আদালতে হাজির হতে হবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন বিবেচনা করে এই আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন- টয়োটা বাংলাদেশের এমডি মালয়েশিয়ার নাগরিক প্রেমিত সিং, টয়োটা টুশো এশিয়া-প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাপানি নাগরিক আকিও ওগাওয়া এবং টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান।

মামলায় বলা হয়, বাংলাদেশে টয়োটা ব্র্যান্ডের একক ডিস্ট্রিবিউটর নাভানা লিমিটেডের ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তারা পরিকল্পিতভাবে নাভানা লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির বাজারে সুনাম ক্ষুণ্ন হয় এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডারকৃত গাড়ি ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেন। এছাড়া কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়েস’ সরবরাহে বাধা দেন, যার ফলে নাভানার স্বাভাবিক আমদানি ও সরবরাহ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি জটিল কাস্টমস সমস্যা ও জরিমানার ঝুঁকিতে পড়েছে।

মামলার বাদী শফিউল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ জুলাই অভিযোগ দায়ের করেন। পরে আদালত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। তদন্ত শেষে ৮ ডিসেম্বর পিবিআই কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর সৈয়দ সাজেদুর রহমান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এমডিএএ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow