টাকা নিয়ে কৃষকলীগ নেতাকে ছেড়ে দেওয়া সেই এসআই প্রত্যাহার

গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের এক নেতাকে আটকের পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসানকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার (০৫ জুলাই) বিকেলে তাকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। কৃষক লীগ নেতাকে আটকের পর টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ শিরোনামে কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। অভিযোগ তদন্তে নামে জিএমপি। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত এসআইকে থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জিএমপি সূত্র জানায়, গত ২২ জুন রাতে কোনাবাড়ীর প্রতাবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মতিন মিয়াকে আটক করেন এসআই কামরুল হাসান। পরে তার পরিবারের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন থেকে মতিন মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের কাছে মতিন মিয়ার বাড়ি দেখিয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। তিনি থানায় লিখিত অভিযোগে জানান, মতিনের ভ

টাকা নিয়ে কৃষকলীগ নেতাকে ছেড়ে দেওয়া সেই এসআই প্রত্যাহার

গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের এক নেতাকে আটকের পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসানকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার (০৫ জুলাই) বিকেলে তাকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

কৃষক লীগ নেতাকে আটকের পর টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ শিরোনামে কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। অভিযোগ তদন্তে নামে জিএমপি। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত এসআইকে থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

জিএমপি সূত্র জানায়, গত ২২ জুন রাতে কোনাবাড়ীর প্রতাবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মতিন মিয়াকে আটক করেন এসআই কামরুল হাসান। পরে তার পরিবারের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন থেকে মতিন মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন।

এ ঘটনায় পুলিশের কাছে মতিন মিয়ার বাড়ি দেখিয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। তিনি থানায় লিখিত অভিযোগে জানান, মতিনের ভাই মো. আলম তার দোকানে গিয়ে গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবু নাসের মো. আল আমিন  বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে কিছু সত্যতা পাওয়ায় এসআই কামরুল হাসানকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow