টাঙ্গাইলে ঘর থেকে বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
টাঙ্গাইলের বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নিজ ঘর থেকে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন- বাসাইলের গোসাখালি গ্রামের ঠান্ডু মিয়া (৭৫) ও তার স্ত্রী রিজিয়া বেগম (৭০)। নিহতদের স্বজনরা জানান, দুই দিন আগে বোরো ধান আবাদে কাজ করার জন্য কয়েকজন দিনমজুর আনা হয়। তারা নিহত দম্পতির বাড়ির পাশের একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। সোমবার রাতে দিনমজুরদের অস্বাভাবিক চলাফেরা দেখে নিহতদের নাতি শাকিল সিকদারের সন্দেহ হয়। পরদিন সকালে ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে ঠান্ডু মিয়া ও রেজিয়া বেগমকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এসময় ঘরের আলমারি ও আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, সোমবার রাতে তার বাড়িতে উত্তরাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা এসেছিল। রাতে ঠান্ডু পেটে ব্যথা অনুভব করলে ওই শ্রমিকরা তাদের সঙ্গে থাকা ওষুধ খেতে দেয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তারা ঘুম থেকে না ওঠায় আশপাশের লোক ডাকাডাকির এক পর্যায়ে ঘরে গিয়ে
টাঙ্গাইলের বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নিজ ঘর থেকে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।
নিহতরা হলেন- বাসাইলের গোসাখালি গ্রামের ঠান্ডু মিয়া (৭৫) ও তার স্ত্রী রিজিয়া বেগম (৭০)।
নিহতদের স্বজনরা জানান, দুই দিন আগে বোরো ধান আবাদে কাজ করার জন্য কয়েকজন দিনমজুর আনা হয়। তারা নিহত দম্পতির বাড়ির পাশের একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। সোমবার রাতে দিনমজুরদের অস্বাভাবিক চলাফেরা দেখে নিহতদের নাতি শাকিল সিকদারের সন্দেহ হয়। পরদিন সকালে ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে ঠান্ডু মিয়া ও রেজিয়া বেগমকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এসময় ঘরের আলমারি ও আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, সোমবার রাতে তার বাড়িতে উত্তরাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা এসেছিল। রাতে ঠান্ডু পেটে ব্যথা অনুভব করলে ওই শ্রমিকরা তাদের সঙ্গে থাকা ওষুধ খেতে দেয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তারা ঘুম থেকে না ওঠায় আশপাশের লোক ডাকাডাকির এক পর্যায়ে ঘরে গিয়ে দেখে তারা পড়ে আছেন। ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো হয়েছিল। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?