টানা বর্ষণে পটুয়াখালীতে জনদুর্ভোগ, বাড়ছে দুশ্চিন্তা 

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে এক সপ্তাহ ধরে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৮২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।  টানা বৃষ্টিতে রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল, কাঁচা সড়ক ও বসতবাড়ির আঙিনায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না। অপরদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাঙ্গাবালী সংলগ্ন নদ-নদী ও বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। প্রবল ঢেউ ও দমকা হাওয়ার কারণে অধিকাংশ মাছ ধরার ট্রলার নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন ঘাটে নোঙর করে আছে। গভীর সাগরে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না জেলেরা, ফলে তাদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এদিকে টানা বৃষ্টিতে চিংড়ি ও মাছ চাষিদের ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ও জোয়ারের প্রভাবে ঘেরের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন অনেক চাষি। তারা সার্বক্ষণিক ঘেরের বাঁধ পর্যবেক্ষণ করছেন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপ

টানা বর্ষণে পটুয়াখালীতে জনদুর্ভোগ, বাড়ছে দুশ্চিন্তা 

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে এক সপ্তাহ ধরে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৮২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। 

টানা বৃষ্টিতে রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল, কাঁচা সড়ক ও বসতবাড়ির আঙিনায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না।

অপরদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাঙ্গাবালী সংলগ্ন নদ-নদী ও বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। প্রবল ঢেউ ও দমকা হাওয়ার কারণে অধিকাংশ মাছ ধরার ট্রলার নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন ঘাটে নোঙর করে আছে। গভীর সাগরে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না জেলেরা, ফলে তাদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে চিংড়ি ও মাছ চাষিদের ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ও জোয়ারের প্রভাবে ঘেরের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন অনেক চাষি। তারা সার্বক্ষণিক ঘেরের বাঁধ পর্যবেক্ষণ করছেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 

এ কারণে পায়রাসহ দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মাছ ধরার ট্রলার ও নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow