টিকটকে পরিচয়, একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত দুই তরুণীর
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পরিচয় থেকে প্রেম। সেই সম্পর্কের টানেই কিশোরগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইলের সখিপুরে ছুটে এসেছেন এক তরুণী। ঘটনাটি সখিপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে টিকটকের মাধ্যমে দুই তরুণীর পরিচয় হয়। সময়ের সঙ্গে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয় বলে দাবি তাদের। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের কাজলা এলাকার বাসিন্দা হাবিবা সখিপুরে এসে অবস্থান নেন তার প্রেমিকা রিমার বাড়িতে। এরপর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। রিমার দাবি, তিনি বর্তমান বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টেনে হাবিবার সঙ্গে জীবন কাটাতে চান। অন্যদিকে হাবিবাও জানান, তারা একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পরিবার ও সমাজের বাধা সত্ত্বেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এলাকায় এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মিনহাজ উদ্দিন বলেন, ‘দুজনকে বিষয়টি নিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, চৌকিদার ও এলাকাবাসীরা কথা বলেছেন তবে তারা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।’ এ বিষয়ে সখিপুর
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পরিচয় থেকে প্রেম। সেই সম্পর্কের টানেই কিশোরগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইলের সখিপুরে ছুটে এসেছেন এক তরুণী।
ঘটনাটি সখিপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে টিকটকের মাধ্যমে দুই তরুণীর পরিচয় হয়। সময়ের সঙ্গে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয় বলে দাবি তাদের।
সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের কাজলা এলাকার বাসিন্দা হাবিবা সখিপুরে এসে অবস্থান নেন তার প্রেমিকা রিমার বাড়িতে। এরপর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
রিমার দাবি, তিনি বর্তমান বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টেনে হাবিবার সঙ্গে জীবন কাটাতে চান। অন্যদিকে হাবিবাও জানান, তারা একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পরিবার ও সমাজের বাধা সত্ত্বেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এলাকায় এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা চলছে।
২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মিনহাজ উদ্দিন বলেন, ‘দুজনকে বিষয়টি নিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, চৌকিদার ও এলাকাবাসীরা কথা বলেছেন তবে তারা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।’
এ বিষয়ে সখিপুর থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
What's Your Reaction?