টেকনাফে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন
কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে সাইফুল ইসলাম নামের এক কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নিহত সাইফুল ইসলাম (২৫) টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের পুরানপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাফেজ মোক্তার আহমদের ছেলে। তিনি হ্নীলা মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রোববার (৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাবরাং ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল ফয়েজ। তিনি বলেন, শনিবার (৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সাবরাং পুরান পাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত শফি উল্লাহকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রাত ৩টার দিকে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আবির নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিহত যুবকের চাচা মৌলভী জহির আহমেদের পরিবারের সঙ্গে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। তার দাবি, ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মৌলভী জহির আহমেদের তিন ছেলের লাঠির আঘাতে সাইফুল ইসল
কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে সাইফুল ইসলাম নামের এক কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
নিহত সাইফুল ইসলাম (২৫) টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের পুরানপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাফেজ মোক্তার আহমদের ছেলে। তিনি হ্নীলা মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
রোববার (৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাবরাং ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল ফয়েজ।
তিনি বলেন, শনিবার (৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সাবরাং পুরান পাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত শফি উল্লাহকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রাত ৩টার দিকে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
আবির নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিহত যুবকের চাচা মৌলভী জহির আহমেদের পরিবারের সঙ্গে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। তার দাবি, ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মৌলভী জহির আহমেদের তিন ছেলের লাঠির আঘাতে সাইফুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
এদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল ফয়েজ বলেন, আমি শুনেছি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে স্বজনদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি জোর দাবি জানাই।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় পুলিশকে এখনো কেউ অবগত করেনি। খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে, তদন্ত শেষে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?