ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের কড়া সমালোচক কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। মার্কিন বাহিনীর পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ এ নেতা আন্তর্জাতিক মহলেও কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে পেত্রো বলেছিলেন, ‘আসুন, আমাকে তুলে নিয়ে যান। আমি এখানেই অপেক্ষা করছি।’ বুক ফুলিয়ে দেওয়া এমন ভাষণের এক সপ্তাহ না পেরোতেই মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ভীত হয়ে পড়েছেন তিনি।
পেত্রো বিবিসিকে বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন এখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের একটি বাস্তব হুমকি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য দেশকে তাদের সাম্রাজ্যের অংশ হিসেবে দেখছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দশকের পর দশক ধরে অন্যান্য সরকারকে, বিশেষ করে লাতিন আমেরিকায়, আইন উপেক্ষা করে সাম্রাজ্যের অংশ হিসেবে দেখেছে। যদি এটি চলতে থাকে, তাহলে বিশ্বকে শাসন করার একটি সাম্রাজ্যবাদী স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। বিচ্ছিন্ন হয়ে কোনো সাম্রাজ্য গড়ে ওঠেনি।
তিনি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তি থেকে বেরিয়ে না যেত— যেখানে দেশগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার কমি
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের কড়া সমালোচক কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। মার্কিন বাহিনীর পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ এ নেতা আন্তর্জাতিক মহলেও কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে পেত্রো বলেছিলেন, ‘আসুন, আমাকে তুলে নিয়ে যান। আমি এখানেই অপেক্ষা করছি।’ বুক ফুলিয়ে দেওয়া এমন ভাষণের এক সপ্তাহ না পেরোতেই মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ভীত হয়ে পড়েছেন তিনি।
পেত্রো বিবিসিকে বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন এখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের একটি বাস্তব হুমকি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য দেশকে তাদের সাম্রাজ্যের অংশ হিসেবে দেখছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দশকের পর দশক ধরে অন্যান্য সরকারকে, বিশেষ করে লাতিন আমেরিকায়, আইন উপেক্ষা করে সাম্রাজ্যের অংশ হিসেবে দেখেছে। যদি এটি চলতে থাকে, তাহলে বিশ্বকে শাসন করার একটি সাম্রাজ্যবাদী স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। বিচ্ছিন্ন হয়ে কোনো সাম্রাজ্য গড়ে ওঠেনি।
তিনি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তি থেকে বেরিয়ে না যেত— যেখানে দেশগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার কমিয়ে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির সীমা নির্ধারণে সম্মত হয়েছিল— তাহলে কোনো যুদ্ধ হতো না, বিশ্ব ও দক্ষিণ আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক হতো অনেক বেশি গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ। ভেনেজুয়েলা ইস্যুটি এ নিয়েই।
ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের হুমকির মন্তব্যের পর কলম্বিয়াজুড়ে সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের নামে বিক্ষোভ হয়েছে।
পেত্রো বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল বাস্তব হুমকি। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, কলম্বিয়া বিংশ শতকে পানামার মতো ভূখণ্ড হারিয়েছে। তিনি বলেন, এই হুমকি দূর করার সম্ভাবনা নির্ভর করছে চলমান আলোচনার ওপর।