ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা ভাইরাসে আক্রান্ত ৪ শিশু, বাড়ছে উদ্বেগ

ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়েছে চার শিশু। হামে আক্রান্ত দুই শিশু ও রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছেন৷ এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে আক্রান্ত শিশুদের জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়৷ হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে রুবেলা তুলনামূলক কম গুরুতর। তবে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া কিংবা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকরা জানান, টিকাদানে অনীহা বা অসম্পূর্ণ হওয়ায় সংক্রমণ বাড়তে পারে। শিশুদের নির্ধারিত সময়ে এমআর টিকা নিশ্চিত করতে হবে। জ্বর ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে৷ আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখতে হবে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল বলেন, হাম মোকাবেলায় হাসপাতালে চার শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট করা হয়েছে৷ দুজন শিশু হামে আক্র

ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা ভাইরাসে আক্রান্ত ৪ শিশু, বাড়ছে উদ্বেগ

ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়েছে চার শিশু। হামে আক্রান্ত দুই শিশু ও রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছেন৷ এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে আক্রান্ত শিশুদের জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়৷ হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে রুবেলা তুলনামূলক কম গুরুতর। তবে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া কিংবা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে।

চিকিৎসকরা জানান, টিকাদানে অনীহা বা অসম্পূর্ণ হওয়ায় সংক্রমণ বাড়তে পারে। শিশুদের নির্ধারিত সময়ে এমআর টিকা নিশ্চিত করতে হবে। জ্বর ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে৷ আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখতে হবে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল বলেন, হাম মোকাবেলায় হাসপাতালে চার শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট করা হয়েছে৷ দুজন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে তারা বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন৷ 

ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা আনিছুর রহমান বলেন, আক্রান্ত শিশুদেরকে আমরা তত্ত্বাবধানে রেখেছি। ১৮ সালের পর আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পেইন না হওয়ায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। হামের পরীক্ষার জন্য ছয়জন শিশুর স্যাম্পল পাঠিয়েছিলাম। দুজন আক্রান্ত হয়েছে। রুবেলা রোগে আরও দুজন শিশু আক্রান্ত। 

তিনি আরও বলেন, আশেপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে। উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানাই৷

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow