ঠাকুরগাঁওয়ে ১০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত

ঠাকুরগাঁওয়ে দিনদিন বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ১০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত জেলায় মোট তিনজনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ নিশ্চিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আর সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে এই পর্যন্ত ৩২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৯ জন চিকিৎসা নিয়ে ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া এখন পর্যন্ত এই রোগে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ৭৭ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. মো. আনিছুর রহমান জানান, জেলায় হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করেছি। বিশেষ করে যেসব শিশু এখনো টিকা নেয়নি, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্

ঠাকুরগাঁওয়ে ১০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত

ঠাকুরগাঁওয়ে দিনদিন বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ১০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত জেলায় মোট তিনজনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ নিশ্চিত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আর সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে এই পর্যন্ত ৩২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৯ জন চিকিৎসা নিয়ে ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া এখন পর্যন্ত এই রোগে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ৭৭ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. মো. আনিছুর রহমান জানান, জেলায় হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করেছি। বিশেষ করে যেসব শিশু এখনো টিকা নেয়নি, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হলেও সময়মতো টিকাদান এবং সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। তারা অভিভাবকদের শিশুদের টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, ফুসকুড়ি বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তানভীর হাসান তানু/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow