ঠিকাদারকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে এক ঠিকাদারকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ মে) ভোর ৬টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ঠিকাদার মারা যান। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার গঙ্গানগর এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত নুরুদ্দিন হাওলাদার (৩২) ভোলা জেলার পশ্চিম ইলিশা উপজেলার মালেরহাট গ্রামের সেলিম হাওলাদারের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নিউটাউন আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। নুরুদ্দিনের সাড়ে ৩ মাস বয়সী শিশুসন্তান ও স্ত্রী রয়েছে। এদিকে অভিযুক্তরা হলেন- গঙ্গানগর এলাকার আব্দুর রব ও তার দুই ছেলে হৃদয় (২৮) এবং শুভ (২২)। নিহতের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার জানান, প্রায় দুই বছর আগে গঙ্গানগর এলাকার আব্দুর রবের বাড়ির ঠিকাদারি কাজ করেছিলেন তার স্বামী। কাজ শেষ হওয়ার পর পাওনা টাকা পরিশোধ না করে উল্টো আরও কাজ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন আব্দুর রব ও তার দুই ছেলে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের ভাই মিজান রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে আব্দুর রব ও তার দুই ছেলে মোটরসাইকেলে করে এসে নুরুদ্দিনকে বাড়ি থেকে ডেকে রাস্তায় নিয়ে যান। সেখানে কথাকাট
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে এক ঠিকাদারকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ মে) ভোর ৬টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ঠিকাদার মারা যান। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার গঙ্গানগর এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরুদ্দিন হাওলাদার (৩২) ভোলা জেলার পশ্চিম ইলিশা উপজেলার মালেরহাট গ্রামের সেলিম হাওলাদারের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নিউটাউন আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। নুরুদ্দিনের সাড়ে ৩ মাস বয়সী শিশুসন্তান ও স্ত্রী রয়েছে।
এদিকে অভিযুক্তরা হলেন- গঙ্গানগর এলাকার আব্দুর রব ও তার দুই ছেলে হৃদয় (২৮) এবং শুভ (২২)।
নিহতের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার জানান, প্রায় দুই বছর আগে গঙ্গানগর এলাকার আব্দুর রবের বাড়ির ঠিকাদারি কাজ করেছিলেন তার স্বামী। কাজ শেষ হওয়ার পর পাওনা টাকা পরিশোধ না করে উল্টো আরও কাজ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন আব্দুর রব ও তার দুই ছেলে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের ভাই মিজান রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে আব্দুর রব ও তার দুই ছেলে মোটরসাইকেলে করে এসে নুরুদ্দিনকে বাড়ি থেকে ডেকে রাস্তায় নিয়ে যান। সেখানে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হৃদয় পকেট থেকে সুইচ গিয়ার বের করে নুরুদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। এসময় একটি আঘাত তার বুকের ডান পাশে লাগে।
তিনি বলেন, আমি সাততলা থেকে নিচে নামতে নামতেই তারা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আমার ভাইকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই নুরুদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সোনারগাঁও থানার তদন্ত কর্মকর্তা জামাল হোসেন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?