ডলারের চাপে বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

মার্কিন ডলারের দর শক্তিশালী হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা কমেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ধীরগতির ইঙ্গিত পাওয়ায় বড় ধরনের পতন হয়নি। এতে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কিছুটা কমেছে। সোমবার স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪৩ দশমিক ১২ ডলারে নেমে আসে। এর আগে দিনের শুরুতে ২২ জুনের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছিল মূল্যবান ধাতুটি। অন্যদিকে আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারসের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৫৫ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছায়। আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বাজার বিশ্লেষক জিম ওয়াইকফ বলেন, মার্কিন ডলার সূচক কিছুটা শক্তিশালী হওয়ায় স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ডলারের মূল্য বাড়লে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুনে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি আগের দুই মাসের কর্মসংস্থানের তথ্যও নিচের দিকে সংশোধন করা হয়েছে। এতে ফেডের আসন্ন বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদ

ডলারের চাপে বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
মার্কিন ডলারের দর শক্তিশালী হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা কমেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ধীরগতির ইঙ্গিত পাওয়ায় বড় ধরনের পতন হয়নি। এতে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কিছুটা কমেছে। সোমবার স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪৩ দশমিক ১২ ডলারে নেমে আসে। এর আগে দিনের শুরুতে ২২ জুনের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছিল মূল্যবান ধাতুটি। অন্যদিকে আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারসের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৫৫ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছায়। আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বাজার বিশ্লেষক জিম ওয়াইকফ বলেন, মার্কিন ডলার সূচক কিছুটা শক্তিশালী হওয়ায় স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ডলারের মূল্য বাড়লে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুনে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি আগের দুই মাসের কর্মসংস্থানের তথ্যও নিচের দিকে সংশোধন করা হয়েছে। এতে ফেডের আসন্ন বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা কমেছে। বাজার এখন বুধবার প্রকাশিত হতে যাওয়া ফেডারেল রিজার্ভের সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে নজর রাখছে। বিশ্লেষকদের মতে, সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির বিষয়ে নতুন ইঙ্গিত মিলতে পারে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সেপ্টেম্বরে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বাজারে প্রায় ৫৭ শতাংশ হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এদিকে জেপি মরগান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি বছরে প্রত্যাশার তুলনায় স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা দুর্বল থাকতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, তৃতীয় প্রান্তিকে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩০০ ডলার এবং চতুর্থ প্রান্তিকে ৪ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ৬৩ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। সূত্র: রয়টার্স  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow