ডিআর কঙ্গোতে ইবোলায় আক্রান্ত ৭৫ স্বাস্থ্যকর্মী

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবের শুরুতেই বিপুল সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শুক্রবার পূর্ব কঙ্গো থেকে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি বিভাগের পরিচালক মারি রোজেলিন বেলিজায়ার জানান, গত ১৫ মে ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণা হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  তিনি বলেন, ডিআর কঙ্গোতে স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা এমনিতেই সীমিত। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা একটি বড় মূল্য দিচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রায় ৯০ শতাংশ ইবোলা রোগীর শুরুতে রক্তক্ষরণের লক্ষণ দেখা যায়নি। ফলে অনেকেই বাসায় থেকে নিজে নিজে চিকিৎসা নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ স্থানীয় ওঝা বা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হয়েছেন। কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০০ জনের ইবোলা সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে, যার মধ্যে ২৩২ জন মারা গেছেন। আক্রান্তদের সংখ্যা তিনটি প্রদেশের ৩৩টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাদুর্ভাব শুরুর এক মাসের

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলায় আক্রান্ত ৭৫ স্বাস্থ্যকর্মী
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবের শুরুতেই বিপুল সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শুক্রবার পূর্ব কঙ্গো থেকে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি বিভাগের পরিচালক মারি রোজেলিন বেলিজায়ার জানান, গত ১৫ মে ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণা হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  তিনি বলেন, ডিআর কঙ্গোতে স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা এমনিতেই সীমিত। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা একটি বড় মূল্য দিচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রায় ৯০ শতাংশ ইবোলা রোগীর শুরুতে রক্তক্ষরণের লক্ষণ দেখা যায়নি। ফলে অনেকেই বাসায় থেকে নিজে নিজে চিকিৎসা নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ স্থানীয় ওঝা বা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হয়েছেন। কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০০ জনের ইবোলা সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে, যার মধ্যে ২৩২ জন মারা গেছেন। আক্রান্তদের সংখ্যা তিনটি প্রদেশের ৩৩টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাদুর্ভাব শুরুর এক মাসেরও বেশি সময় পরও রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রমে জনসাধারণের অনীহা ও প্রতিরোধ বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বেলিজায়ার বলেন, একাধিক এলাকায় নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow