ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ২

পাবনায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শনিবার (২৭ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের গাংকোলা এলাকার মো. সুজন (৩৪) এবং শিবরামপুর এলাকার মো. আরিফুল ইসলাম (৪০)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার পাবনা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে; তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে কল করে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া চাঁদার টাকা তারা মূলত বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করত। পরে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিত। চ

ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ২
পাবনায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শনিবার (২৭ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের গাংকোলা এলাকার মো. সুজন (৩৪) এবং শিবরামপুর এলাকার মো. আরিফুল ইসলাম (৪০)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার পাবনা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে; তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে কল করে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া চাঁদার টাকা তারা মূলত বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করত। পরে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিত। চক্রের অন্য সদস্যরা ভুয়া নিবন্ধিত সিমকার্ড সরবরাহ এবং বিকাশ এজেন্ট নম্বর বজায় রাখতে সহযোগিতা করত। ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনসহ নামীয় আরও দুজন এবং অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামি করে পাবনা সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাবনা জেলা পুলিশ জানায়, এই চক্রের পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারসহ প্রতারক চক্রের মূল উৎপাটনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে কেউ কল করে টাকা দাবি করলে বা ভয় দেখালে বিভ্রান্ত না হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা জেলা পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow