‘ডিসি পার্কের ফুল উৎসব সারাদেশের মানুষের জন্য আনন্দের বিষয়’

ডিসি পার্কের ফুল উৎসব শুধু চট্টগ্রামের জন্য নয়, বরং সারাদেশের মানুষের জন্য আনন্দের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সীতাকুণ্ড উপজেলাধীন সলিমপুর মৌজার সাগরপাড়ে ১৯৪ একর আয়তনের ডিসি পার্কে দেশের বৃহত্তম ফুল উৎসব উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক ফুল উৎসবকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের বৃহৎ ও সুপরিকল্পিত কর্মযজ্ঞের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধু চট্টগ্রামের মানুষের জন্য নয়, বরং সারাদেশের মানুষের জন্য আনন্দের বিষয়। তার আশা, দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ ডিসি পার্কে এসে এই ফুল উৎসব উপভোগ করবেন। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ অন্য জেলার জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ এবং চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস

‘ডিসি পার্কের ফুল উৎসব সারাদেশের মানুষের জন্য আনন্দের বিষয়’

ডিসি পার্কের ফুল উৎসব শুধু চট্টগ্রামের জন্য নয়, বরং সারাদেশের মানুষের জন্য আনন্দের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সীতাকুণ্ড উপজেলাধীন সলিমপুর মৌজার সাগরপাড়ে ১৯৪ একর আয়তনের ডিসি পার্কে দেশের বৃহত্তম ফুল উৎসব উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক ফুল উৎসবকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের বৃহৎ ও সুপরিকল্পিত কর্মযজ্ঞের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধু চট্টগ্রামের মানুষের জন্য নয়, বরং সারাদেশের মানুষের জন্য আনন্দের বিষয়। তার আশা, দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ ডিসি পার্কে এসে এই ফুল উৎসব উপভোগ করবেন। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ অন্য জেলার জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ এবং চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এ ছাড়া বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন জানায়, মাসব্যাপী এই ফুল উৎসবে দেশি ও বিদেশি প্রায় ১৪০ প্রজাতির লক্ষাধিক ফুল প্রদর্শন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য নতুন আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয়েছে জিপ লাইন, ক্লাইম্বিং ট্রি, ট্রি হার্ট, বিগ ফ্লাওয়ার ট্রি, আমব্রেলা ট্রি ও ফ্লাওয়ার ট্রি। ফুল দেখার পাশাপাশি প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

উৎসবকে ঘিরে গ্রামীণ মেলা, বই উৎসব, ঘুড়ি উৎসব, পিঠা উৎসব, লেজার লাইট শো, ভিআর গেম, মুভি শো, ভায়োলিন শো, পুতুল নাচ এবং মাল্টিকালচারাল ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়েছে। বিশেষভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে একটি সচেতনতামূলক স্টল এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে।

আজ থেকে শুরু হওয়া চট্টগ্রাম ফুল উৎসব-২০২৬ চলবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এমআরএএইচ/এমএমকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow