ডিসেম্বরে চালু হতে পারে আগ্রাবাদ র্যাম্প, নির্মাণকাজ শুরু
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শুরু হয়েছে শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়কের বহুল প্রতীক্ষিত আগ্রাবাদ র্যাম্পের নির্মাণকাজ। প্রশাসনিক জটিলতা ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে বছরের পর বছর আটকে থাকা এ প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ায় আগামী নভেম্বরের মধ্যে নির্মাণ শেষ করে ডিসেম্বরে র্যাম্পটি উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। সিডিএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়ক যান চলাচলের জন্য চালু থাকলেও আগ্রাবাদ র্যাম্প নির্মিত না হওয়ায় উড়াল সড়কের পূর্ণ সুবিধা পাচ্ছিলেন না নগরবাসী। র্যাম্পটি চালু হলে আগ্রাবাদ ও আশপাশের এলাকার যান চলাচল আরও সহজ হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি। প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উড়াল সড়কের জন্য শুরুতে ১৫টি র্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও আপাতত ৬টি র্যাম্প স্থগিত রেখে ৯টি র্যাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। এরমধ্যে ৭টির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে বাংলাদেশ বেতার, জীবন বীমা কর্পোরেশন, যমুনা অয়েল কোম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভূমি
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শুরু হয়েছে শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়কের বহুল প্রতীক্ষিত আগ্রাবাদ র্যাম্পের নির্মাণকাজ।
প্রশাসনিক জটিলতা ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে বছরের পর বছর আটকে থাকা এ প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ায় আগামী নভেম্বরের মধ্যে নির্মাণ শেষ করে ডিসেম্বরে র্যাম্পটি উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।
সিডিএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়ক যান চলাচলের জন্য চালু থাকলেও আগ্রাবাদ র্যাম্প নির্মিত না হওয়ায় উড়াল সড়কের পূর্ণ সুবিধা পাচ্ছিলেন না নগরবাসী। র্যাম্পটি চালু হলে আগ্রাবাদ ও আশপাশের এলাকার যান চলাচল আরও সহজ হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উড়াল সড়কের জন্য শুরুতে ১৫টি র্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও আপাতত ৬টি র্যাম্প স্থগিত রেখে ৯টি র্যাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। এরমধ্যে ৭টির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে বাংলাদেশ বেতার, জীবন বীমা কর্পোরেশন, যমুনা অয়েল কোম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভূমি ও স্থাপনা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আগ্রাবাদ র্যাম্পের ভূমি অধিগ্রহণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে ছিল। ফলে বিভিন্ন দপ্তরের চিঠি চালাচালিতে (আদান-প্রদান) বছরের পর বছর নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়ক প্রকল্প তার অন্যতম। দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই তিনি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে আগ্রাবাদ র্যাম্পের জটিলতা সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসনের উদ্যোগ নেন। এরই ফল হিসেবে বর্তমানে র্যাম্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।
সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়কের পূর্ণ সুফল নগরবাসীর কাছে পৌঁছে দিতে আগ্রাবাদ র্যাম্প নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। র্যাম্প নির্মাণে যে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক জটিলতা ছিল, তা সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের সব কাজ সম্পন্ন করে নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করতে চাই।
What's Your Reaction?