ডিসেম্বর শেষে খেলাপির হার কমে ৩১%
২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ সামান্য কমেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে খেলাপি গ্রাহকদের মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঋণ পুনঃতপশিলের সুবিধা গ্রহণ করে। ফলে, বড় অঙ্কের খেলাপি নবায়ন হওয়ায় দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। সোমবার (২ মার্চ) খেলাপি ঋণের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর শেষে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপির হার হয়েছে ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ। এ সময়ে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা। তিন মাস আগেও অর্থাৎ গত সেপ্টেম্বরে খেলাপির হার ছিল ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। সে সময়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের মধ্যে ৯৪ শতাংশই মন্দজনিত বা আদায় অযোগ্য ঋণ। দেশের ইতিহাসে ২০১৯ সালের মার্চেই প্রথমবারের মতো খেলাপি ঋণ লাখের ঘর পেরিয়ে এক লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে খেলাপি ঋণ।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ সামান্য কমেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে খেলাপি গ্রাহকদের মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঋণ পুনঃতপশিলের সুবিধা গ্রহণ করে। ফলে, বড় অঙ্কের খেলাপি নবায়ন হওয়ায় দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা।
সোমবার (২ মার্চ) খেলাপি ঋণের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর শেষে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপির হার হয়েছে ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ। এ সময়ে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা।
তিন মাস আগেও অর্থাৎ গত সেপ্টেম্বরে খেলাপির হার ছিল ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। সে সময়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের মধ্যে ৯৪ শতাংশই মন্দজনিত বা আদায় অযোগ্য ঋণ।
দেশের ইতিহাসে ২০১৯ সালের মার্চেই প্রথমবারের মতো খেলাপি ঋণ লাখের ঘর পেরিয়ে এক লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে খেলাপি ঋণ।
What's Your Reaction?