ডেঙ্গুতে আরও ২ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৬৯৩
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট ৬৫ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া নতুন ৬৯৩ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর ফলে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬১৫ জন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। বার্তা অনুযায়ী, নতুন মারা যাওয়া দুজনই নারী। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ৩৬ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এবং আরেকজন ৪৬ থেকে ৫০ বছর বয়সী। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ৫৭৯ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে। এছাড়া খুলনায় ৩৭১, বরিশালে ২৬৩, চট্টগ্রামে ১২৬, ময়মনসিংহে ১৩১, রাজশাহীতে ১১৭, রংপুরে ১৯ ও সিলেট বিভাগে নয়জন চিকিৎসাধীন। আরও পড়ুন হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ২৪৩ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২০ হাজার ৫৬৩ জন। মারা যাওয়াদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ৬৫ জনের মধ্যে নারী ৪১ জন বা ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং পুরুষ ২৪ জন বা ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ। ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি কর
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট ৬৫ জনের মৃত্যু হলো।
এছাড়া নতুন ৬৯৩ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর ফলে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬১৫ জন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তা অনুযায়ী, নতুন মারা যাওয়া দুজনই নারী। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ৩৬ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এবং আরেকজন ৪৬ থেকে ৫০ বছর বয়সী।
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ৫৭৯ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে। এছাড়া খুলনায় ৩৭১, বরিশালে ২৬৩, চট্টগ্রামে ১২৬, ময়মনসিংহে ১৩১, রাজশাহীতে ১১৭, রংপুরে ১৯ ও সিলেট বিভাগে নয়জন চিকিৎসাধীন।

হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর
এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ২৪৩ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২০ হাজার ৫৬৩ জন।
মারা যাওয়াদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ৬৫ জনের মধ্যে নারী ৪১ জন বা ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং পুরুষ ২৪ জন বা ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ।
ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ২১, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে আট ও সিটি করপোরেশনের বাইরে একজন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে খুলনায় ১১, বরিশালে আট, ময়মনসিংহে ছয়, চট্টগ্রামে পাঁচ, রাজশাহীতে তিন এবং রংপুর ও সিলেটে একজন করে মারা গেছেন।
একিউএফ/
What's Your Reaction?