ডেনমার্কে নতুন ইতিহাস: প্রথমবারের মতো নারী-প্রধান মন্ত্রিসভা
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেত্তে ফ্রেডেরিকসেন বুধবার তার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। ডেনমার্কের ইতিহাসে এবারই প্রথম মন্ত্রিসভায় পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি। গত মার্চের অমীমাংসিত নির্বাচনের পর কয়েক মাস ধরে আলোচনা শেষে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডেরিকসেন সোমবার জানান, তিনি সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস, সোশ্যালিস্ট পিপলস পার্টি, মধ্য-বামপন্থি রাডিকালে ভেনস্ট্রে এবং মধ্যপন্থি মডারেটসদের নিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছেন। খবর এএফপির। বুধবার ফ্রেডেরিকসেন নতুন মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন। আমালিয়েনবর্গ রাজকীয় প্রাসাদের বাইরে ফ্রেডেরিকসেন ঘোষণা করেন, এটি ২১ জন মন্ত্রীর একটি সরকার এবং ডেনমার্কের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এখন পুরুষ মন্ত্রীদের চেয়ে নারী মন্ত্রীর সংখ্যা বেশি। ২১ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১১ জনই নারী এবং এই তালিকায় ফ্রেডেরিকসেনের পূর্ববর্তী সরকারের পরিচিত বেশ কয়েকজনের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল। মধ্যপন্থি নেতা লার্স লোকে রাসমুসেন, ২৪ মার্চের নির্বাচনের পর কিংমেকার হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিজের পদ ধরে রেখেছেন। ফ্রেডেরিকসেন নিকোলাই ওয়ামেনের পরিবর্তে তার দলীয় সহকর
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেত্তে ফ্রেডেরিকসেন বুধবার তার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। ডেনমার্কের ইতিহাসে এবারই প্রথম মন্ত্রিসভায় পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি। গত মার্চের অমীমাংসিত নির্বাচনের পর কয়েক মাস ধরে আলোচনা শেষে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডেরিকসেন সোমবার জানান, তিনি সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস, সোশ্যালিস্ট পিপলস পার্টি, মধ্য-বামপন্থি রাডিকালে ভেনস্ট্রে এবং মধ্যপন্থি মডারেটসদের নিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছেন। খবর এএফপির।
বুধবার ফ্রেডেরিকসেন নতুন মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন। আমালিয়েনবর্গ রাজকীয় প্রাসাদের বাইরে ফ্রেডেরিকসেন ঘোষণা করেন, এটি ২১ জন মন্ত্রীর একটি সরকার এবং ডেনমার্কের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এখন পুরুষ মন্ত্রীদের চেয়ে নারী মন্ত্রীর সংখ্যা বেশি।
২১ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১১ জনই নারী এবং এই তালিকায় ফ্রেডেরিকসেনের পূর্ববর্তী সরকারের পরিচিত বেশ কয়েকজনের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মধ্যপন্থি নেতা লার্স লোকে রাসমুসেন, ২৪ মার্চের নির্বাচনের পর কিংমেকার হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিজের পদ ধরে রেখেছেন। ফ্রেডেরিকসেন নিকোলাই ওয়ামেনের পরিবর্তে তার দলীয় সহকর্মী পিটার হুমেলগার্ডকে অর্থমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মঙ্গলবার ফ্রেডেরিকসেন একটি রাজনৈতিক ইশতেহার পেশ করেন যেখানে তিনি ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির কারণে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন এবং একই সঙ্গে একটি কঠোর অভিবাসন নীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন।
টিটিএন
What's Your Reaction?