ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তর নিয়ে জরুরি সতর্কবার্তা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকদের প্লাস্টিকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ছড়ানো হচ্ছে। এই পন্থা অবলম্বন করে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে একটি চক্র। কোন তৃতীয় পক্ষ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব কার্ড মেটাল কার্ডে রূপান্তর করতে নিষেধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে গ্রাহকদের জন্য এক সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, কিছু অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষের (থার্ড-পার্টি) প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ডেবিট ও ক্রেডিট প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরের প্রলোভন দেখাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের কার্ড নম্বর, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, সিভিভিসহ (CVV) সংবেদনশীল তথ্য ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে শেয়ার করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
এসব প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নয়। ফলে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে কিছু ঝুঁকি থেকে যেতে পারে। যেমন—
ক. কার্ডের গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়ে জালিয়াতির আশঙ্কা;
খ. অননুমোদিত লেনদেন সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা;
গ. গ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকদের প্লাস্টিকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ছড়ানো হচ্ছে। এই পন্থা অবলম্বন করে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে একটি চক্র। কোন তৃতীয় পক্ষ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব কার্ড মেটাল কার্ডে রূপান্তর করতে নিষেধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে গ্রাহকদের জন্য এক সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, কিছু অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষের (থার্ড-পার্টি) প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ডেবিট ও ক্রেডিট প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরের প্রলোভন দেখাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের কার্ড নম্বর, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, সিভিভিসহ (CVV) সংবেদনশীল তথ্য ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে শেয়ার করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
এসব প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নয়। ফলে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে কিছু ঝুঁকি থেকে যেতে পারে। যেমন—
ক. কার্ডের গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়ে জালিয়াতির আশঙ্কা;
খ. অননুমোদিত লেনদেন সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা;
গ. গ্রাহকের আর্থিক ক্ষতি ও তথ্য নিরাপত্তা বিস্মিত হওয়া;
ঘ. সামগ্রিক কার্ড ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়া।
এছাড়াও সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে কার্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রদানসহ প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তর করা থেকে সব গ্রাহককে বিরত থাকার অনুরোধ করা যাচ্ছে। একইসঙ্গে কার্ড সংক্রান্ত যে কোনো সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহারের পরামর্শ প্রদান করা হলো।
গ্রাহকদের ব্যাংক হিসাবের নিরাপত্তার স্বার্থে বলা হয়েছে, আপনার আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ব্যাংকগুলোর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো অবস্থাতেই ওটিপি বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (011) কিংবা কার্ডের কোনো তথ্য কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না। এ ধরনের সন্দেহজনক কোনো কিছু লক্ষ করলে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ রইল।