ডেমরায় কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ শ্রমিকের মৃত্যু

রাজধানীর ডেমরায় ‘ইমোরটোফ্লেক্স’ নামক একটি পলিস্টার প্যাকেজিং কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অগ্নিদগ্ধ শ্রমিক মো. সুজন মিয়া (২২) মারা গেছেন। সোমবার (৪ মে) সকাল ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সুজন মিয়া গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সুরুজ্জামানের ছেলে। সোমবার বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ডেমরা থানা পুলিশ মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১১টার দিকে ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। কারখানাটিতে চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের প্যাকেট তৈরি করা হতো। আগুন লাগার সময় সুজন ভেতরে আটকা পড়ে শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সুজনের পরিবারের দাবি, কারখানায় পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা এবং কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনার কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে। ঘটনা নিশ্চিত করে ডেমরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুরাদ হোসেন (পিপিএম) বলেন, অগ্নিক

ডেমরায় কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ শ্রমিকের মৃত্যু
রাজধানীর ডেমরায় ‘ইমোরটোফ্লেক্স’ নামক একটি পলিস্টার প্যাকেজিং কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অগ্নিদগ্ধ শ্রমিক মো. সুজন মিয়া (২২) মারা গেছেন। সোমবার (৪ মে) সকাল ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সুজন মিয়া গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সুরুজ্জামানের ছেলে। সোমবার বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ডেমরা থানা পুলিশ মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১১টার দিকে ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। কারখানাটিতে চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের প্যাকেট তৈরি করা হতো। আগুন লাগার সময় সুজন ভেতরে আটকা পড়ে শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সুজনের পরিবারের দাবি, কারখানায় পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা এবং কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনার কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে। ঘটনা নিশ্চিত করে ডেমরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুরাদ হোসেন (পিপিএম) বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই সুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। সোমবার তার মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় আইনিব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেওয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান জানান, কারখানাটিতে কোনো ফায়ার সেফটি প্ল্যান ছিল না। এমনকি আগুন নেভানোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও সেখানে পাওয়া যায়নি।  তিনি আরও বলেন, কীভাবে কোনো নিরাপত্তা পরিকল্পনা ছাড়াই এই কারখানাটি সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কমানো সম্ভব হতো। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow