ড্র করে নকআউটে আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া, ইরানের স্বপ্ন শেষ
রোমাঞ্চ, উত্তেজনা আর একের পর এক গোলে ভরা এক ম্যাচ উপহার দিল অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়া। ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া এই ম্যাচে দুই দলই নকআউটে উঠল। আর সেই সঙ্গে শেষ হয়ে গেল ইরানের মিরাকলের স্বপ্ন। ম্যাচের ২৭ মিনিটে মার্কো আর্নাতোভিচের গোলে এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া। তবে আলজেরিয়া বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকেনি। প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে রাফিক বেলঘালির গোলে সমতা ফেরায় তারা। ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া। মার্সেল সাবিতজার আলজেরিয়ার জালে বল জড়িয়ে দলকে ২-১ এগিয়ে দেন। এরপরই মাহরেজ-শো শুরু। ডান পাশ থেকে আসা নিচু ক্রসে ফাঁকায় বল পেয়ে দারুণ শটে সমতা ফেরান রিয়াদ মাহরেজ। স্কোর ২-২। এরপর যোগ করা সময়ে ম্যাচকে সম্পূর্ণ অন্যদিকে নিয়ে যান মাহরেজ। আলজেরিয়াকে ৩-২ গোলে এগিয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল আলজেরিয়া গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে চলেছে, আর অস্ট্রিয়ার নকআউটে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কিন্তু অস্ট্রিয়া হাল ছাড়েনি। শেষ মুহূর্তে সাশা কালাইজিচ অবিশ্বাস্য এক গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। ৩-৩। এই ড্রয়ে দুই দলই গ্রুপে যথেষ্ট পয়েন্ট নিয়ে নকআউটে উঠে গেল। আ
রোমাঞ্চ, উত্তেজনা আর একের পর এক গোলে ভরা এক ম্যাচ উপহার দিল অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়া। ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া এই ম্যাচে দুই দলই নকআউটে উঠল। আর সেই সঙ্গে শেষ হয়ে গেল ইরানের মিরাকলের স্বপ্ন।
ম্যাচের ২৭ মিনিটে মার্কো আর্নাতোভিচের গোলে এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া। তবে আলজেরিয়া বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকেনি। প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে রাফিক বেলঘালির গোলে সমতা ফেরায় তারা। ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া। মার্সেল সাবিতজার আলজেরিয়ার জালে বল জড়িয়ে দলকে ২-১ এগিয়ে দেন। এরপরই মাহরেজ-শো শুরু। ডান পাশ থেকে আসা নিচু ক্রসে ফাঁকায় বল পেয়ে দারুণ শটে সমতা ফেরান রিয়াদ মাহরেজ। স্কোর ২-২।
এরপর যোগ করা সময়ে ম্যাচকে সম্পূর্ণ অন্যদিকে নিয়ে যান মাহরেজ। আলজেরিয়াকে ৩-২ গোলে এগিয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল আলজেরিয়া গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে চলেছে, আর অস্ট্রিয়ার নকআউটে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
কিন্তু অস্ট্রিয়া হাল ছাড়েনি। শেষ মুহূর্তে সাশা কালাইজিচ অবিশ্বাস্য এক গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। ৩-৩। এই ড্রয়ে দুই দলই গ্রুপে যথেষ্ট পয়েন্ট নিয়ে নকআউটে উঠে গেল। আর ইরান, যারা অপেক্ষায় ছিল যেকোনো একটি দলের হারের, তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হলো না।
উল্লেখ্য, ইরান যদি এই ম্যাচে যেকোনো একটি দলকে হারতে দেখত, তাহলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠতে পারত। কিন্তু শেষ সেকেন্ডের ড্রয়ে সেই সুযোগ চলে গেল।
What's Your Reaction?