ঢাকার ক্লাব ক্যাটাগরিতে অবশেষে নির্বাচন, জিতবেন কোন ১২ জন?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক পর্ষদের নির্বাচনে ঢাকা ক্লাব কোটায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাতাবরণ ছিল না বললেই চলে। একসময় মনে হচ্ছিল, নির্বাচনই হবে না। ঈদের আগে ছুটি শুরুর ঠিক আগপর্যন্তও ক্লাবপাড়ায় জোর গুঞ্জন ছিল, ১৩ জনের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ১২ জনকে পরিচালক হিসেবে বেছে নেবেন কাউন্সিলররা। কিন্তু ঈদের ছুটিতে বদলে গেছে পরিস্থিতি। ঈদের আগের রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত একটি নতুন পাঁচতারকা হোটেলে নির্বাচনের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসে। শেষ পর্যন্ত ক্লাব কোটায় নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া ১৬ জন প্রার্থীই সেদিন রাতে ওই হোটেলে এক টেবিলে বসেছিলেন। সেখানে তাদের মধ্যে বেশ আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়। জানা গেছে, সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে এবার কোনো আনুষ্ঠানিক প্যানেল বা জোট গঠন করা হবে না। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ১৬ জনই স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কোনো পছন্দ-অপছন্দ বা পক্ষ-বিপক্ষের অবস্থান থাকবে না। কাউন্সিলররা নিজেদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেবেন। আজ ৩১ মে ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরও সেই অবস্থান বহাল রয়েছে। অর্থাৎ আগামী ছয় দিনের মধ্যে কোনো নাটকী

ঢাকার ক্লাব ক্যাটাগরিতে অবশেষে নির্বাচন, জিতবেন কোন ১২ জন?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক পর্ষদের নির্বাচনে ঢাকা ক্লাব কোটায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাতাবরণ ছিল না বললেই চলে। একসময় মনে হচ্ছিল, নির্বাচনই হবে না। ঈদের আগে ছুটি শুরুর ঠিক আগপর্যন্তও ক্লাবপাড়ায় জোর গুঞ্জন ছিল, ১৩ জনের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ১২ জনকে পরিচালক হিসেবে বেছে নেবেন কাউন্সিলররা।

কিন্তু ঈদের ছুটিতে বদলে গেছে পরিস্থিতি।

ঈদের আগের রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত একটি নতুন পাঁচতারকা হোটেলে নির্বাচনের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসে।

শেষ পর্যন্ত ক্লাব কোটায় নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া ১৬ জন প্রার্থীই সেদিন রাতে ওই হোটেলে এক টেবিলে বসেছিলেন। সেখানে তাদের মধ্যে বেশ আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়।

জানা গেছে, সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে এবার কোনো আনুষ্ঠানিক প্যানেল বা জোট গঠন করা হবে না। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ১৬ জনই স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কোনো পছন্দ-অপছন্দ বা পক্ষ-বিপক্ষের অবস্থান থাকবে না। কাউন্সিলররা নিজেদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেবেন।

আজ ৩১ মে ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরও সেই অবস্থান বহাল রয়েছে। অর্থাৎ আগামী ছয় দিনের মধ্যে কোনো নাটকীয় পরিবর্তন না ঘটলে বা নতুন কোনো জোট গড়ে না উঠলে, ৭ জুন ক্লাব কোটায় উন্মুক্ত ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে যাদের জনপ্রিয়তা বেশি, তারাই নির্বাচিত হবেন।

এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক, ক্লাব কোটায় শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

মনোনয়ন তোলা ও মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে ১৬ জন প্রার্থীতা বহাল রেখেছেন। তারা হলেন- তামিম ইকবাল (ওল্ডডিওএইচএস), ফাহিম সিনহা (আবাহনী), মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান), রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা রোড কেসি), সাইদ ইব্রাহীম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স), ইসরাফিল খসরু (এক্সিয়ম ক্রিকেটার্স), মীর্জা ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং), শানিয়ান তানিম (মেরিনার ইয়াংস), আমজাদ হোসেন (ট্রাই স্টেট ক্রিকেটার্স), সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁ ক্রিকেট একাডেমি), সাকিফ আহমেদ সালাম (পূর্বাচল স্পোর্টিং ক্লাব), আসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর), ফৈয়াজুর রহমান মিতু (উত্তরা ক্রিকেট ক্লাব) অধ্যাপক ড. সরকার মাহবুব হোসেন শামিম (ঢাকা ওয়ান্ডরার্স ক্লাব), মেজর ইমরোজ (কাঠালবাগান ক্রিসেন্ট ক্লাব), ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব, বসুন্ধরা রাইডার্স)।

বিভিন্ন ক্লাব কাউন্সিলরদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এই ১৬ জনের মধ্যে উন্মুক্ত ভোট হলেও ৮ - ১০ জন প্রার্থীর পক্ষে ৭৬ ক্লাবের কাউন্সিলরদের বড় অংশের পূর্ণ সমর্থন আছে। তাদের নির্বাচনে বিজয়ী হবার সম্ভাবনাও অনেক বেশি। ভাবছেন তারা কারা?

এর মধ্যে তামিম ইকবাল আর ফাহিম সিনহা আছেন সবার আগে। বেশিরভাগ ক্লাবেরই এ দুজনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন আছে বলে জানা গেছে। এছাড়া মাসুদুজ্জামান , রফিকুল ইসলাম বাবু, ইসরাফিল খসরু, সাইদ ইব্রাহীম আহমেদ, মীর্জা ইয়াসির আব্বাস, শানিয়ান তানিমের পাল্লাও বেশ ভারি। এই ৮ জনের জেতা নিয়ে তেমন সংশয় নেই। তাদের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন দুটোই বেশি।

এখন দেখার বিষয় হলো বাকি ৪ পদে কে কে বিজয়ী হন?

ওই অবশিষ্ট পদগুলোয় সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু, আমজাদ হোসেন, সাকিফ আহমেদ সালাম ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল বাকি ৪ জনের (আসিফ রাব্বানী , ফৈয়াজুর রহমান মিতু, অধ্যাপক সরকার মাহবুব হোসেন শামিম ও মেজর ইমরোজের চেয়ে এগিয়ে বলে শোনা যাচ্ছে।

শেষের ৪ জন আপাতঃদৃষ্টিতে পিছিয়ে আছেন। এখন সামনের পাঁচ-ছয় দিন পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় সেটাই দেখার।

এদিকে ক্লাব পাড়ার খবর, প্যানেল ছাড়া ওপেন নির্বাচন হলে ১২ বিজয়ীর মধ্যে থাকার জোর সম্ভাবনা ছিল লুতফর রহমান বাদলের। কিন্তু তিনি শেষ মুহুর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

এআরবি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow