ঢাকায় নারী ব্যাংকারের বাসা থেকে ২৭ লাখ টাকার সোনার গহনা চুরি

রাজধানীর মুগদা থানার মানিকনগর এলাকায় এক নারী ব্যাংকারের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী ওই ব্যাংকারের নাম তাজরীন খান আদ্রিতা। তার বাসা থেকে ২৭ লাখ টাকার সোনার গহনা ও নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় আদ্রিতার মামাতো ভাই সাদমান সাকিব সৌমিককে (৩০) গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ। এছাড়া চোরাই এসব গহনার ক্রেতা সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে যে কোনো সময়ে ভুক্তভোগীর বাসার আলমিরার ড্রয়ারে থাকা ১১ ভরি সোনার গহনা চুরি করেন সৌমিক। এসব গহনার বাজারমূল্য ২৭ লাখ টাকা। চুরি হওয়া গহনার মধ্যে রয়েছে ৫ ভরি ওজনের পূর্ণ সেট, দুই ভরির ৩টি চেইন, এক ভরির ৩টি ব্রেসলেট, এক ভরির দুটি চুড়ি ও এক ভরির ৪ জোড়া সোনার কানের রিং। এছাড়া নগদ এক লাখ ৭০ হাজার টাকাও চুরি করেন। আরও পড়ুনমেরাদিয়ায় অটোরিকশায় প্রাইভেটকারের ধাক্কা, চালক নিহত বিএনপির ‘শাঁখের করাত’ ৯২ বিদ্রোহী প্রার্থী  এ ঘটনায় সৌমিককে পারিবারিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি চুরির কথা স্বীকার করেন। পাশাপাশি চুরির গহনা মানিকনগরের এক জুয়েলার্সে বিক্রির কথা স্বীকার করেন। পুলিশ জানায়

ঢাকায় নারী ব্যাংকারের বাসা থেকে ২৭ লাখ টাকার সোনার গহনা চুরি

রাজধানীর মুগদা থানার মানিকনগর এলাকায় এক নারী ব্যাংকারের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী ওই ব্যাংকারের নাম তাজরীন খান আদ্রিতা। তার বাসা থেকে ২৭ লাখ টাকার সোনার গহনা ও নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় আদ্রিতার মামাতো ভাই সাদমান সাকিব সৌমিককে (৩০) গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ। এছাড়া চোরাই এসব গহনার ক্রেতা সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে যে কোনো সময়ে ভুক্তভোগীর বাসার আলমিরার ড্রয়ারে থাকা ১১ ভরি সোনার গহনা চুরি করেন সৌমিক। এসব গহনার বাজারমূল্য ২৭ লাখ টাকা।

চুরি হওয়া গহনার মধ্যে রয়েছে ৫ ভরি ওজনের পূর্ণ সেট, দুই ভরির ৩টি চেইন, এক ভরির ৩টি ব্রেসলেট, এক ভরির দুটি চুড়ি ও এক ভরির ৪ জোড়া সোনার কানের রিং। এছাড়া নগদ এক লাখ ৭০ হাজার টাকাও চুরি করেন।

আরও পড়ুন
মেরাদিয়ায় অটোরিকশায় প্রাইভেটকারের ধাক্কা, চালক নিহত 
বিএনপির ‘শাঁখের করাত’ ৯২ বিদ্রোহী প্রার্থী 

এ ঘটনায় সৌমিককে পারিবারিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি চুরির কথা স্বীকার করেন। পাশাপাশি চুরির গহনা মানিকনগরের এক জুয়েলার্সে বিক্রির কথা স্বীকার করেন।

পুলিশ জানায়, চুরির ঘটনায় প্রথমে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও পরে মামালা করেন আদ্রিতা। এ ঘটনায় প্রথমে সৌমিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জুয়েলার্সের মালিক সাদ্দাম হেসেনকেও গ্রেফতার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুগদা থানার এসআই কাইয়ুম বাহাদুর বলেন, চুরির মামলার পরে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

টিটি/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow