ঢাকা ক্যাপিটালসের অভিযোগের জবাবে যে ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) চলমান আসরে ঢাকা ক্যাপিটালস যে অভিযোগ তুলেছিল, তার আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ড জানিয়েছে, অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কোনো কার্যক্রমেই খেলোয়াড় বা ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়নি।
এক বিবৃতিতে বিসিবি জানায়, আইসিসির বৈশ্বিক ইন্টেগ্রিটি কাঠামোর আওতায় চলতি বিপিএলে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিশ্বাসযোগ্য সন্দেহ দেখা দিলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।
বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট—অ্যালেক্স মার্শালর নেতৃত্বে—জানিয়েছে, এসব পদক্ষেপ বোর্ডের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ। এই ব্যবস্থার ফলেই সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত সতর্কবার্তা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলা হয়েছে। খেলোয়াড় নিয়োগ, চুক্তির শর্ত এবং পারিশ্রমিক কাঠামো যাচাই করাই ছিল এসব বৈঠকের উদ্দেশ্য। বিসিবি স্পষ্ট করে জানায়, এসব আলোচনা ছিল সম্পূর্ণ গোপনীয় ও প্রতিরোধমূলক—এতে কোনো খেলোয়াড় তদন্তের আওতায় র
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) চলমান আসরে ঢাকা ক্যাপিটালস যে অভিযোগ তুলেছিল, তার আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ড জানিয়েছে, অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কোনো কার্যক্রমেই খেলোয়াড় বা ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়নি।
এক বিবৃতিতে বিসিবি জানায়, আইসিসির বৈশ্বিক ইন্টেগ্রিটি কাঠামোর আওতায় চলতি বিপিএলে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিশ্বাসযোগ্য সন্দেহ দেখা দিলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।
বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট—অ্যালেক্স মার্শালর নেতৃত্বে—জানিয়েছে, এসব পদক্ষেপ বোর্ডের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ। এই ব্যবস্থার ফলেই সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত সতর্কবার্তা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলা হয়েছে। খেলোয়াড় নিয়োগ, চুক্তির শর্ত এবং পারিশ্রমিক কাঠামো যাচাই করাই ছিল এসব বৈঠকের উদ্দেশ্য। বিসিবি স্পষ্ট করে জানায়, এসব আলোচনা ছিল সম্পূর্ণ গোপনীয় ও প্রতিরোধমূলক—এতে কোনো খেলোয়াড় তদন্তের আওতায় রয়েছেন বা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন—এমন কোনো ইঙ্গিত নেই।
উল্লেখ্য, এর আগে ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান নির্বাহী আতিক ফাহাদ অভিযোগ করেন যে, অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সদস্যরা ঢাকার আফগান ব্যাটার রহমানুল্লাহ গুরবাজর কক্ষে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন, যা দলের ম্যানেজমেন্টের পূর্বানুমতি ছাড়াই করা হয়েছে বলে তার দাবি।