ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযকে নিয়ে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যের প্রতিবাদে পাথরঘাটায় মানববন্ধন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী জেনারেল ও বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শামীম আহসানের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে বরগুনার পাথরঘাটায় মান্যবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পাথরঘাটার গোল চত্বরে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যানরত এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক সোহানুর রহমান সোহানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পাথরঘাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক জাইদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজী মোহাম্মদ মহসিন হলের সাবেক শিক্ষার্থী ইউনুস আলী রাহুল, পাথরঘাটা কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব সরকার ও মো. রাকিব। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বরগুনা জেলা জামায়াত নেতা ও পাথরঘাটার একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শামীম আহসানের সম্প্রতি জামাতের একটি নির্বাচনী জনসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বিতর্কিত ও কুরুচিপূর্ণ একটি মন্তব্য করেছেন। আমরা ওই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। আমরা ওই বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে জামায়াত নেতাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। একই সঙ্গে তার শাস্তির ব্যবস্থা করা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী জেনারেল ও বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শামীম আহসানের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে বরগুনার পাথরঘাটায় মান্যবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পাথরঘাটার গোল চত্বরে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যানরত এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক সোহানুর রহমান সোহানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পাথরঘাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক জাইদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজী মোহাম্মদ মহসিন হলের সাবেক শিক্ষার্থী ইউনুস আলী রাহুল, পাথরঘাটা কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব সরকার ও মো. রাকিব।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বরগুনা জেলা জামায়াত নেতা ও পাথরঘাটার একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শামীম আহসানের সম্প্রতি জামাতের একটি নির্বাচনী জনসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বিতর্কিত ও কুরুচিপূর্ণ একটি মন্তব্য করেছেন। আমরা ওই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। আমরা ওই বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে জামায়াত নেতাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। একই সঙ্গে তার শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তার শাস্তি নিশ্চিত না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবো।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বরগুনা-২ আসনের জামায়াতের ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগে আসলেই ভবঘুরে গাঁজাখোরদের আড্ডা ছিল। তারপরও ওই বক্তব্য তার ব্যক্তিগত। তারপর ওই বক্তব্য তিনি না দিলেও পারতেন। তবে ওই বক্তব্যটি তিনি ভুল স্বীকার করছেন।
What's Your Reaction?