ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা নববর্ষ উদযাপন

‘ভয়েস অ্যাক্রস মাউন্টেন্‌স অ্যান্ড সিজ, বন্ড্‌স বিটুইন চায়না অ্যান্ড বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য দিনব্যাপী নানা আয়েজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) চীনা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে কলা ভবন সংলগ্ন ঐতিহাসিক বটতলায় এক মনোজ্ঞ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান চীনা নববর্ষ উপলক্ষ্যে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। চীনের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক অনেক পুরনো। চীন সরকার এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চীনের অর্থায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক হল নির্মাণের কাজ খুব শিগগিরই শুরু হবে। হল নির্মাণে সহযোগিতার জন্য তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ও চীন সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দু’দ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা নববর্ষ উদযাপন

‘ভয়েস অ্যাক্রস মাউন্টেন্‌স অ্যান্ড সিজ, বন্ড্‌স বিটুইন চায়না অ্যান্ড বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য দিনব্যাপী নানা আয়েজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) চীনা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে কলা ভবন সংলগ্ন ঐতিহাসিক বটতলায় এক মনোজ্ঞ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান চীনা নববর্ষ উপলক্ষ্যে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। চীনের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক অনেক পুরনো। চীন সরকার এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চীনের অর্থায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক হল নির্মাণের কাজ খুব শিগগিরই শুরু হবে।

হল নির্মাণে সহযোগিতার জন্য তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ও চীন সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. ইয়ং হুই এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow