ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে কোনো ডাম্পিং পয়েন্ট থাকবে না

স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে কোনো ময়লার ডাম্পিং পয়েন্ট থাকবে না। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ময়লা আবর্জনা পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। মীর শাহে আলম বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন এই রাস্তা দিয়ে ময়মনসিংহে গণসংযোগে যান, তখন এই ময়লার ডাম্পিং পয়েন্টটি ওনার দৃষ্টিতে আসে। এর পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর উনি আজ থেকে সাতদিন আগে আমাকে আলাদা নোটিশে এনে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আমি যেন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশনের লোকজনদের নিয়ে ওই রাস্তাটি পরিদর্শন করি ও রাস্তার দুই পাশের ময়লা আবর্জনা যাতে না থাকে এর জন্য সিটি করপোরেশন যেন আলাদা ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করে সেখানে সরিয়ে নেয়। পুরো এলাকাটি যেন সুন্দর থাকে। এর জন্য রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরাট করে সেখানে নিম গাছসহ বিভিন্ন ফুল গাছ রোপণ করা হয়। তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হলো এতদিন যাবৎ এই এলাকাটির এ অবস্থা, রাস্তার দুই পাশে ময়লা পড়ে রয়েছে কিন্তু আমাদের কা

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে কোনো ডাম্পিং পয়েন্ট থাকবে না

স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে কোনো ময়লার ডাম্পিং পয়েন্ট থাকবে না।

সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ময়লা আবর্জনা পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর শাহে আলম বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন এই রাস্তা দিয়ে ময়মনসিংহে গণসংযোগে যান, তখন এই ময়লার ডাম্পিং পয়েন্টটি ওনার দৃষ্টিতে আসে। এর পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর উনি আজ থেকে সাতদিন আগে আমাকে আলাদা নোটিশে এনে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আমি যেন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশনের লোকজনদের নিয়ে ওই রাস্তাটি পরিদর্শন করি ও রাস্তার দুই পাশের ময়লা আবর্জনা যাতে না থাকে এর জন্য সিটি করপোরেশন যেন আলাদা ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করে সেখানে সরিয়ে নেয়। পুরো এলাকাটি যেন সুন্দর থাকে। এর জন্য রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরাট করে সেখানে নিম গাছসহ বিভিন্ন ফুল গাছ রোপণ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হলো এতদিন যাবৎ এই এলাকাটির এ অবস্থা, রাস্তার দুই পাশে ময়লা পড়ে রয়েছে কিন্তু আমাদের কারো নজরে আস না অথচ প্রধানমন্ত্রী খুব ব্যস্ততার মধ্যে এই রাস্তা দিয়ে একদিন গেলেন আর এ বিষয়টি ওনার নজরে এসেছে ও আমাদের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। যার ফলে আমরা বিষয়টি পরিদর্শনে এলাম ও আন্তঃবিভাগীয় বৈঠক করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ময়লা আবর্জনা গুলো অন্যত্র সরিয়ে একটা আলাদা ডাম্পিং পয়েন্টে করে সিটি করপোরেশন যেন ওখানে নিয়ে যায়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজেন্দ্রপুরসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশে এমনিতেই সবুজে ঘেরা ও একটি সুন্দর এলাকা সেখানে রাস্তার উপরে ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকাটা দুর্ভাগ্যের বিষয়। আজ থেকে এখানে আর কেউ ময়লা ফেলবেন না ও রাস্তায় দুই পাশে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মাটি ভরাট করে চৌরাস্তা থেকে শুরু করে গাজীপুরের শেষ সীমানা, পর্যায়ক্রমে ময়মনসিংহ পর্যন্ত বিউটিফিকেশন করা হবে।

এসময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল হাসান সহ সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মো. আমিনুল ইসলাম/এমএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow