ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

গাজীপুরের শ্রীপুরে পরিবহন চালককে মারধরের প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে পরিবহন মালিক, চালক ও শ্রমিকরা। অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই লেনেই কয়েক কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনাবাজারের আহম্মদ ফিলিং স্টেশন এলাকায় অবরোধ করে। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।  পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, জৈনাবাজারের আহম্মদ ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি নেওয়ার জন্য মহাসড়কের পাশে একটি কভার্ডভ্যান রেখে নামাজে যান চালক। এ সময় হাইওয়ে পুলিশ এসে গাড়ির লুকিং গ্লাস ভাঙচুর করে। এ সময় চালক এসে বাধা দিলে তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করে পুলিশ।  বিষয়টি অন্য চালকরা দেখে এগিয়ে এসে প্রতিবাদ করেন এবং মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে।  আলম এশিয়া পরিবহনের চালক আবুল কালাম বলেন, দুপুর দেড়টা থেকে রাস্তায় দাড়িয়ে আছি। যাত্রীদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে। প্রায় ৩ ঘণ্টা হয়ে গেছে তবুও মহাসড়ক ছাড়ছে না তারা। মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, মহাসড়কের লেন দখল করে গাড়িগুলো জ্বালানি নেওয়ার

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ
গাজীপুরের শ্রীপুরে পরিবহন চালককে মারধরের প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে পরিবহন মালিক, চালক ও শ্রমিকরা। অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই লেনেই কয়েক কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনাবাজারের আহম্মদ ফিলিং স্টেশন এলাকায় অবরোধ করে। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।  পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, জৈনাবাজারের আহম্মদ ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি নেওয়ার জন্য মহাসড়কের পাশে একটি কভার্ডভ্যান রেখে নামাজে যান চালক। এ সময় হাইওয়ে পুলিশ এসে গাড়ির লুকিং গ্লাস ভাঙচুর করে। এ সময় চালক এসে বাধা দিলে তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করে পুলিশ।  বিষয়টি অন্য চালকরা দেখে এগিয়ে এসে প্রতিবাদ করেন এবং মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে।  আলম এশিয়া পরিবহনের চালক আবুল কালাম বলেন, দুপুর দেড়টা থেকে রাস্তায় দাড়িয়ে আছি। যাত্রীদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে। প্রায় ৩ ঘণ্টা হয়ে গেছে তবুও মহাসড়ক ছাড়ছে না তারা। মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, মহাসড়কের লেন দখল করে গাড়িগুলো জ্বালানি নেওয়ার জন্য লাইন ধরে। মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার সময় চালকদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। মারধরের বিষয়টি সঠিক নয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow