ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

হবিগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষারকে আটকের প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে হেফাজতে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।  অভিযোগ রয়েছে, বাহুবল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিও ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অডিওটির সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তের ধারাবাহিকতায় তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রথমে দুপুর ২টার দিকে মহাসড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন এবং আটক নেতার মুক্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওসির প্রত্যাহারের দাবিও তোলেন বিক্ষোভকারীরা। হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) রাখী রানী দাস বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে হেফাজতে নেওয়া হয়ে

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

হবিগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষারকে আটকের প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে হেফাজতে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

অভিযোগ রয়েছে, বাহুবল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিও ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অডিওটির সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তের ধারাবাহিকতায় তাকে আটক করা হয়েছে।

আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রথমে দুপুর ২টার দিকে মহাসড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন এবং আটক নেতার মুক্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওসির প্রত্যাহারের দাবিও তোলেন বিক্ষোভকারীরা।

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) রাখী রানী দাস বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ এটিকে আইনশৃঙ্খলার বিষয় হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি-ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow