ঢাকা স্টকে বাজার মূলধন বাড়লো সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে গত সপ্তাহ পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চারদিনই ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। এতে করে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বাড়ার তালিকায় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান নাম লিখিয়েছে। ফলে বেড়েছে মূল্যসূচক। এই ইতিবাচক প্রভাবে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২২২টির শেয়ার ও ইউনিটের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪৬টির আর ২২টির অপরিবর্তিত রয়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ৯৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ছয় লাখ ৯০ হাজার ১০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে তিন হাজার ৪৩০ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি গত সপ্তাহে প্রধান মূল্যসূচকেরও বড় উত্থান হয়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ১৪০ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৪৫ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৩ শতাংশ। আরও পড়ুন শুল্কমুক্ত কাঁচামাল
ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে গত সপ্তাহ পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চারদিনই ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে।
এতে করে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বাড়ার তালিকায় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান নাম লিখিয়েছে। ফলে বেড়েছে মূল্যসূচক। এই ইতিবাচক প্রভাবে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বেড়েছে।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২২২টির শেয়ার ও ইউনিটের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪৬টির আর ২২টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ৯৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ছয় লাখ ৯০ হাজার ১০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে তিন হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।
বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি গত সপ্তাহে প্রধান মূল্যসূচকেরও বড় উত্থান হয়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ১৪০ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৪৫ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৩ শতাংশ।
অপর দুই সূচকের মধ্যে ইসলামি শরিয়াহভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৮২ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ২১ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৫ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৫১ শতাংশ।
আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ৭০ দশমিক ২১ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৪ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বা দশমিক ২২ শতাংশ।
তবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের গতি কিছুটা কমেছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে যা ছিল এক হাজার ২৮৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে তিন কোটি ৭৭ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ৪০ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে সামিট এলায়েন্স পোর্টের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আইপিডিসি ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ৩৭ কোটি ৬ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এনসিসি ব্যাংক।
এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ডিবি থাই অ্যালুমেনিয়াম, ব্র্যাক ব্যাংক, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, বিডি থাই ফুড, জেনেক্স ইনফোসিস ও সিটি ব্যাংক।
এমএএস/একিউএফ
What's Your Reaction?
