ঢাকা-১৭ আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন এনায়েত উল্লাহ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই সন্নিকটে। নির্বাচনকে ঘিরে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সরগরম। চারদিকে শুধু নির্বাচনি হাওয়া। প্রচার-প্রচারণায় কেউ যেন পিছিয়ে নেই। যে, যার মতো করে পারছে ভোটারদের কাছে ভোট প্রত্যাশা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-১৭ আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়বেন ফ্রান্সের আলোচিত মুখ ইউরোপের বৃহৎ সংগঠন অল ইউরোপীয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন আয়েবা মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ। এরই মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেন নতুন এক মাত্রা যোগ হয়েছে। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ফ্রান্স প্রবাসী ও অরাজনৈতিক সংগঠন আয়েবার মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ। তার বিপরীতে প্রার্থী হিসেবে বিশেষ আলোচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর ড. খালিদুজ্জামান। এই দুই শক্তিশালী প্রার্থী নিজ নিজ রাজনৈতিক বলয়ে তাদের শক্ত অবস্থান রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যালোচনায় ঢাকা-১৭ আসন রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। দলীয় প্রভাব এখানে বরাবরই প্রবল বলেই জানা গেছে। সে বিবেচনায় দুই বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে একজন স্বতন্ত্র ও অরাজনৈতিক

ঢাকা-১৭ আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন এনায়েত উল্লাহ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই সন্নিকটে। নির্বাচনকে ঘিরে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সরগরম। চারদিকে শুধু নির্বাচনি হাওয়া। প্রচার-প্রচারণায় কেউ যেন পিছিয়ে নেই। যে, যার মতো করে পারছে ভোটারদের কাছে ভোট প্রত্যাশা করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-১৭ আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়বেন ফ্রান্সের আলোচিত মুখ ইউরোপের বৃহৎ সংগঠন অল ইউরোপীয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন আয়েবা মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ।

এরই মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেন নতুন এক মাত্রা যোগ হয়েছে। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ফ্রান্স প্রবাসী ও অরাজনৈতিক সংগঠন আয়েবার মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ। তার বিপরীতে প্রার্থী হিসেবে বিশেষ আলোচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর ড. খালিদুজ্জামান। এই দুই শক্তিশালী প্রার্থী নিজ নিজ রাজনৈতিক বলয়ে তাদের শক্ত অবস্থান রয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যালোচনায় ঢাকা-১৭ আসন রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। দলীয় প্রভাব এখানে বরাবরই প্রবল বলেই জানা গেছে। সে বিবেচনায় দুই বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে একজন স্বতন্ত্র ও অরাজনৈতিক প্রার্থীর অংশগ্রহণ ভোটের সমীকরণে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশেষ করে রাজনীতির বাইরে থাকা ভোটার, উঠতি তরুণ সমাজ এবং পরিবর্তনমুখী নাগরিকদের একটি অংশ এই ধরনের প্রার্থীর প্রতি আগ্রহ দেখাতে পারে বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

তবে কঠিন বাস্তবতা হলো, দলীয় কাঠামো, মাঠপর্যায়ের সংগঠন এবং দীর্ঘদিনের ভোটব্যাংক-এই তিনটি দিকেই বড় দলগুলো স্বতন্ত্র প্রার্থীর চেয়ে বরাবর এগিয়ে থাকে। যার ফলে কাজী এনায়েত উল্লাহর জন্য বড় এবং প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা এবং সীমিত সাংগঠনিক শক্তি দিয়ে বৃহৎ জনসমর্থন তৈরি করা।

অন্যথায় টিকে থাকা কষ্ট হয়ে পড়বে। ধারণা করা হচ্ছে সাধারণ জনগণ যে পরিবর্তন চাচ্ছে যদি তা বাস্তবে রূপ নেয় তবে ভোটের মাঝে কাজী এনায়েত উল্লাহ জনসমর্থনে এগিয়ে যাবে। তা এখন সময়ের ব্যাপার।

অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন যদি ভোটারদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত রাজনীতির প্রতি অনাস্থা বা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা জোরালো হয়, তাহলে এই আসনে অপ্রত্যাশিত ফলও দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ঢাকা-১৭ আসন একটি প্রতীকী রাজনৈতিক বার্তা বহন করতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দলীয় রাজনীতির বাইরে দাঁড়িয়েও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সম্ভব।

ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচন শুধু ব্যক্তি বা দলের লড়াই নয়, বরং এটি হতে পারে পরিচিত রাজনীতির সঙ্গে বিকল্প ধারার রাজনীতির মুখোমুখি অবস্থান। যার ফলাফল জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে কাজী এনায়েত উল্লাহ প্রার্থী হিসেবে বেশ উপযুক্ত, শিক্ষা, সমাজ পরিবেশ-বান্ধব একজন সৎ নিষ্ঠাবান প্রার্থী। তার কোনো বিকল্প নেই।

তাছাড়া তিনি বহির্বিশ্বে একজন আলোচিত ব্যক্তি। ইউরোপ-আমেরিকা এবং এশিয়াসহ পৃথিবীর প্রতিটি দেশে প্রবাসীদের মাঝে সুপরিচিত সংগঠক এবং জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে প্রবাসীদের পাশে থেকে নিরলসভাবে সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাই অনেকের ধারণা কাজী এনায়েত উল্লাহকে যদি সাধারণ মানুষ ভোটের মাধ্যমে বেছে নিতে পারেন। তবে সাধারণ মানুষ উভয় দিকে উপকৃত হতে পারেন। যেমন দেশে জনগণের পক্ষে তেমনি বিদেশে প্রবাসীদের পক্ষে।

এমআরএম/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow