ঢাবিতে ৩ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু, দেশ-বিদেশের ২৫০ বিজ্ঞানী-গবেষক অংশগ্রহণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) প্ল্যান্ট টিস্যু কালচার ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক ৩ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। এতে দেশ-বিদেশের প্রায় আড়াইশ’ বিজ্ঞানী ও গবেষক অংশগ্রহণ করছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর টিস্যু কালচার এন্ড বায়োটেকনোলজি (বিএপিটিসিএন্ডবি) যৌথ আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ওই সম্মেলন শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন। এসময় অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের দ্বৈত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘স্মার্ট বায়োটেকনোলজি’ বা শিল্পায়িত জৈবপ্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এক্ষেত্রে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই এআই সিস্টেম ও ডেটা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো আমাদের গবেষক ও বিজ্ঞানীদের দক্ষতা বৃদ্ধি

ঢাবিতে ৩ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু, দেশ-বিদেশের ২৫০ বিজ্ঞানী-গবেষক অংশগ্রহণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) প্ল্যান্ট টিস্যু কালচার ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক ৩ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। এতে দেশ-বিদেশের প্রায় আড়াইশ’ বিজ্ঞানী ও গবেষক অংশগ্রহণ করছেন।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর টিস্যু কালচার এন্ড বায়োটেকনোলজি (বিএপিটিসিএন্ডবি) যৌথ আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ওই সম্মেলন শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

এসময় অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের দ্বৈত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘স্মার্ট বায়োটেকনোলজি’ বা শিল্পায়িত জৈবপ্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এক্ষেত্রে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই এআই সিস্টেম ও ডেটা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো আমাদের গবেষক ও বিজ্ঞানীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ডেটা-চালিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবেন। উচ্চ-ফলনশীল ও প্রতিকূলতা সহনশীল ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য চাহিদা পূরণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া উদ্বোধনী দিনে (বিএপিটিসিএন্ডবি)-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. রাখহরি সরকারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি’র মহাপরিচালক ড. মোঃ ছগীর আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক বিশেষ অতিথি এবং এসিআই পিএলসি-এর গ্রুপ অ্যাডভাইজার ড. এফ. এইচ. আনসারি সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া এতে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী’র ফেলো অধ্যাপক ড. হাসিনা খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow