ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের সেই গণরুম এখন রিডিংরুম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের একটি গণরুমকে নতুনভাবে রিডিংরুমে রূপান্তর করেছে হল ছাত্রসংসদ। বুধবার (১১ মার্চ) রাতে রুমটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, কার্যনির্বাহী সদস্য ইমরান হোসাইন, একাত্তর হল সংসদের সহ-সভাপতি হাসান আল বান্না, সাধারণ সম্পাদক আশিক বিল্লাহ প্রমুখ। এস এম ফরহাদ বলেন, ‘এই রুমে আগে ৩৫০ থেকে ৪০০ শিক্ষার্থী অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও মানবেতর পরিস্থিতিতে অবস্থান করতো। এক-দেড় বছর ধরে তাদের এখানে থাকতে হতো। যা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় গণরুম হিসেবে পরিচিত ছিল। আজ সেটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলো।’ গণরুমে ছাত্রলীগ জোরপূর্বক শিক্ষার্থীদের রাখতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একজন সুস্থ মানুষের পক্ষে সেখানে সুস্থভাবে থাকা প্রায় অসম্ভব ছিল। ২০১৪ সালে হল চালুর পর থেকে এটি গণরুম হিসেবে ব্যবহৃত হতো এবং এক প্রকার টর্চার সেলের মতো অবস্থায় ছিল। ৫ আগস্টের পর থেকে এটি ফাঁকা পড়ে ছিল। আজকের উদ্যোগের ফলে এটি এখন থেকে অধ্যয়ন ও গবেষণার একটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হবে।’ এফএআর/একিউএফ/বিএ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের একটি গণরুমকে নতুনভাবে রিডিংরুমে রূপান্তর করেছে হল ছাত্রসংসদ।
বুধবার (১১ মার্চ) রাতে রুমটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, কার্যনির্বাহী সদস্য ইমরান হোসাইন, একাত্তর হল সংসদের সহ-সভাপতি হাসান আল বান্না, সাধারণ সম্পাদক আশিক বিল্লাহ প্রমুখ।
এস এম ফরহাদ বলেন, ‘এই রুমে আগে ৩৫০ থেকে ৪০০ শিক্ষার্থী অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও মানবেতর পরিস্থিতিতে অবস্থান করতো। এক-দেড় বছর ধরে তাদের এখানে থাকতে হতো। যা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় গণরুম হিসেবে পরিচিত ছিল। আজ সেটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলো।’
গণরুমে ছাত্রলীগ জোরপূর্বক শিক্ষার্থীদের রাখতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একজন সুস্থ মানুষের পক্ষে সেখানে সুস্থভাবে থাকা প্রায় অসম্ভব ছিল। ২০১৪ সালে হল চালুর পর থেকে এটি গণরুম হিসেবে ব্যবহৃত হতো এবং এক প্রকার টর্চার সেলের মতো অবস্থায় ছিল। ৫ আগস্টের পর থেকে এটি ফাঁকা পড়ে ছিল। আজকের উদ্যোগের ফলে এটি এখন থেকে অধ্যয়ন ও গবেষণার একটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হবে।’
এফএআর/একিউএফ/বিএ
What's Your Reaction?