তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, কড়া প্রতিক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রের

তাইওয়ান ঘিরে চীনের সাম্প্রতিক সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টির অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পরিস্থিতিতে বেইজিংকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, চীনের আগ্রাসী বক্তব্য ও সামরিক মহড়া তাইওয়ানসহ পুরো অঞ্চলে অযথা চাপ ও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। এ মহড়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তাইপেও। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, তাইওয়ান এবং এই অঞ্চলের অন্যদের প্রতি চীনের সামরিক তৎপরতা ও বক্তব্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। আমরা বেইজিংকে সংযম দেখাতে, তাইওয়ানের ওপর সামরিক চাপ বন্ধ করতে এবং অর্থবহ সংলাপে অংশ নিতে আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে এবং বলপ্রয়োগ বা চাপের মাধ্যমে বিদ্যমান পরিস্থিতি একতরফাভাবে পরিবর্তনের বিরোধিতা করে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে চীন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পাশাপাশি যুদ্ধবিমান ও নৌযান মোতায়েন করে তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়া চালায়। এসব মহড়ায় দ্বীপটিকে অব

তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, কড়া প্রতিক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রের

তাইওয়ান ঘিরে চীনের সাম্প্রতিক সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টির অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পরিস্থিতিতে বেইজিংকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, চীনের আগ্রাসী বক্তব্য ও সামরিক মহড়া তাইওয়ানসহ পুরো অঞ্চলে অযথা চাপ ও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। এ মহড়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তাইপেও।

পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, তাইওয়ান এবং এই অঞ্চলের অন্যদের প্রতি চীনের সামরিক তৎপরতা ও বক্তব্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। আমরা বেইজিংকে সংযম দেখাতে, তাইওয়ানের ওপর সামরিক চাপ বন্ধ করতে এবং অর্থবহ সংলাপে অংশ নিতে আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে এবং বলপ্রয়োগ বা চাপের মাধ্যমে বিদ্যমান পরিস্থিতি একতরফাভাবে পরিবর্তনের বিরোধিতা করে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে চীন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পাশাপাশি যুদ্ধবিমান ও নৌযান মোতায়েন করে তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়া চালায়। এসব মহড়ায় দ্বীপটিকে অবরোধ করার সামরিক পরিস্থিতির অনুশীলন করা হয়। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ দাবি করে আসছে এবং একে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের এমন সামরিক মহড়া নিয়মিত ঘটলেও স্বশাসিত তাইওয়ানে দৈনন্দিন জীবনে তেমন প্রভাব পড়েনি। তবে বেইজিংয়ের কঠোর অবস্থান তাইওয়ানের নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি হংকংয়ের মতো একসময় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে চীনের কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ পুনরেকত্রীকরণ নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই চিং বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার অবস্থান সব সময় স্পষ্ট—জাতীয় সার্বভৌমত্ব দৃঢ়ভাবে রক্ষা করা এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা জোরদার করা।

তিনি বলেন, ২০২৬ সাল তাইওয়ানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। তাইওয়ানকে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে, তবে সেরা ফলের আশাও রাখতে হবে।


 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow