তারিক সিদ্দিকের ড্রাইভার ও কেয়ারটেকার ফের ৩ দিনের রিমান্ডে
রাজধানীর রমনা থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে ফের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার (০৮ মে) একই মামলায় তিনদিনের রিমান্ড শেষে বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। এরপর এ মামলায় আরও সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার। শুনানি শেষে আদালত দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সিএমএম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আসামিরা হলেন, তারিক সিদ্দিকের গাড়ির ড্রাইভার মো. মহিদুল ইসলাম (৪২) ও বাসার কেয়ারটেকার মো. চান মিয়া (৪৬)। রিমান্ড আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তারা নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেছেন এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে অর্থ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করেছেন। এছাড়া রমনা থানার বাংলা মোটর এলাকার রূপায়ণ টাওয়ারের সামনে তারা অন্য আসামিদের সঙ্গে
রাজধানীর রমনা থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে ফের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শুক্রবার (০৮ মে) একই মামলায় তিনদিনের রিমান্ড শেষে বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। এরপর এ মামলায় আরও সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার। শুনানি শেষে আদালত দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সিএমএম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন, তারিক সিদ্দিকের গাড়ির ড্রাইভার মো. মহিদুল ইসলাম (৪২) ও বাসার কেয়ারটেকার মো. চান মিয়া (৪৬)।
রিমান্ড আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তারা নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেছেন এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে অর্থ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করেছেন। এছাড়া রমনা থানার বাংলা মোটর এলাকার রূপায়ণ টাওয়ারের সামনে তারা অন্য আসামিদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিকের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার, গোপন আস্তানা থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, অর্থের উৎস শনাক্ত এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করতে তাদের পুনরায় রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
গত ১৯ এপ্রিল পুলিশ মহিদুল ইসলামকে ঠাকুরগাঁও থেকে এবং চান মিয়াকে রাজধানীর ভাষানটেক এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন মামলায় তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
রিমান্ডে যাওয়া মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রমনা থানা এলাকায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল ও সমাবেশ করেন। এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগসাজশে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন।
What's Your Reaction?