তারেক রহমানের নির্দেশে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস ছত্তার খান। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেতে করা আপিল আবেদনও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক ভিডিও বার্তায় আব্দুস সত্তার খান নিজেই এই ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে আসনটিতে নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপি আর একধাপ এগিয়ে গেল বলে মনে করছেন দলটির নেতাকর্মীরা। ভিডিও বার্তায় আব্দুস সত্তার খান বলেন, দেশ ও মানুষের সেবার প্রত্যয় থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলাম। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়ন ও আপিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে দলের ঐক্য ও শৃঙ্খলা আমার কাছে সবার আগে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে দলীয় সংহতি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। একজন সুশ
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস ছত্তার খান। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেতে করা আপিল আবেদনও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক ভিডিও বার্তায় আব্দুস সত্তার খান নিজেই এই ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে আসনটিতে নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপি আর একধাপ এগিয়ে গেল বলে মনে করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
ভিডিও বার্তায় আব্দুস সত্তার খান বলেন, দেশ ও মানুষের সেবার প্রত্যয় থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলাম। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়ন ও আপিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে দলের ঐক্য ও শৃঙ্খলা আমার কাছে সবার আগে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে দলীয় সংহতি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। একজন সুশৃঙ্খল দলীয় কর্মী হিসেবে সবসময় তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব।
নিজের এ সিদ্ধান্তের পক্ষে এলাকাবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের সমর্থন ও ভালোবাসা কামনা করে আব্দুস সত্তার খান বলেন, ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে সবাই মিলে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।
এর আগে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন আব্দুস সত্তার খান। তার সঙ্গে দেখা করার দুটি ছবি নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন আব্দুস সত্তার খান। একটি ছবি তারেক রহমানের পাশে বসা এবং অপর ছবিতে আব্দুস সত্তার খান দাঁড়ানো অবস্থায় আছেন।
জানা গেছে, বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন মুলাদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুস সত্তার খান। তিনি মুলাদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে ১০ শতাংশ ভোটার তালিকা না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে রিটার্নিং কর্মকর্তা। সেই বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল করেন সত্তার খান।
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, আব্দুস সত্তার খান মুলাদী উপজেলার জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান এবং পৌর মেয়র ছিলেন। দলের বিপক্ষে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় আসনটিতে বিএনপির প্রার্থীর বিজয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয় নেতাকর্মীদের। তবে তারেক রহমানের আহ্বানে আব্দুস সত্তার খান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় আসনটিতে বিএনপির নির্বাচনী লড়াই আরও শক্তপোক্ত হলো বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।
What's Your Reaction?