তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সাক্ষাতে তাদের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মসূচি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির। হুমায়ুন কবির বলেন, এটি মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা ছিল। আলোচনায় দু’পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মসূচি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও বিনিয়োগ নিয়ে মতবিনিময় হয়। এসময় বাংলাদেশে চীনের অব্যাহত অংশীদারত্ব, বিশেষ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উন্নয়ন ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বৈঠকে নির্বাচন প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়েছে কি না— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চীনের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশের নির্বাচন একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ভবিষ্যতে জনগণের ভোটে যে সরকারই গঠিত হোক, চীন তাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বা

তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সাক্ষাতে তাদের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মসূচি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির।

হুমায়ুন কবির বলেন, এটি মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা ছিল। আলোচনায় দু’পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মসূচি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও বিনিয়োগ নিয়ে মতবিনিময় হয়। এসময় বাংলাদেশে চীনের অব্যাহত অংশীদারত্ব, বিশেষ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উন্নয়ন ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে নির্বাচন প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়েছে কি না— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চীনের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশের নির্বাচন একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ভবিষ্যতে জনগণের ভোটে যে সরকারই গঠিত হোক, চীন তাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকের শুরুতেই প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চীনা সরকারের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়। রাষ্ট্রদূত ব্যক্তিগতভাবে তারেক রহমানের কাছে এ সমবেদনা বার্তা পৌঁছে দেন। হুমায়ুন কবির বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের দিন ভোরেই চীনের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কাছে শোকবার্তা পাঠিয়েছিলেন।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন।

কেএইচ/এমএএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow