তালাবদ্ধ ঘর থেকে মায়া হরিণ উদ্ধার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ভোলারজুম গ্রামে একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় একটি মায়া হরিণ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।  শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে অভিযান চালিয়ে হরিণটিকে উদ্ধার করে কালেঙ্গা রেঞ্জের রেসকিউ সেন্টারে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত বনাঞ্চল, যেখানে প্রাকৃতিকভাবে মায়া হরিণসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর বসবাস রয়েছে।  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানতে পারেন যে, উপজেলার ভোলারজুম গ্রামের ইয়াকুত মিয়ার বাড়ির একটি কক্ষে একটি মায়া হরিণ আটকে রাখা হয়েছে। পরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হরিণটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর হরিণটিকে কালেঙ্গা রেঞ্জ কার্যালয়ের রেসকিউ সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। সেখানে এর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কালেঙ্গা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল আমিন জানান, উদ্ধার হওয়া হরিণটি বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রয়েছে। সুস্থ ও স্বাভাবিক আচরণে ফিরে এলে সেটিকে আবার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হবে। চুনারুঘাট বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং গণমাধ্যমকর্মী আবদ

তালাবদ্ধ ঘর থেকে মায়া হরিণ উদ্ধার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ভোলারজুম গ্রামে একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় একটি মায়া হরিণ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। 

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে অভিযান চালিয়ে হরিণটিকে উদ্ধার করে কালেঙ্গা রেঞ্জের রেসকিউ সেন্টারে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত বনাঞ্চল, যেখানে প্রাকৃতিকভাবে মায়া হরিণসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর বসবাস রয়েছে। 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানতে পারেন যে, উপজেলার ভোলারজুম গ্রামের ইয়াকুত মিয়ার বাড়ির একটি কক্ষে একটি মায়া হরিণ আটকে রাখা হয়েছে। পরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হরিণটিকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পর হরিণটিকে কালেঙ্গা রেঞ্জ কার্যালয়ের রেসকিউ সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। সেখানে এর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

কালেঙ্গা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল আমিন জানান, উদ্ধার হওয়া হরিণটি বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রয়েছে। সুস্থ ও স্বাভাবিক আচরণে ফিরে এলে সেটিকে আবার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হবে।

চুনারুঘাট বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং গণমাধ্যমকর্মী আবদুল জাহির মিয়া বলেন, লোকালয় বা চোরাশিকারিদের কবল থেকে কোনো বন্যপ্রাণী উদ্ধার হলে দ্রুত বন বিভাগ, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অবহিত করা উচিত। আহত প্রাণীর ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার চেষ্টা না করে অভিজ্ঞ বনকর্মীদের হাতে তুলে দেওয়াই নিরাপদ।

চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, বন্যপ্রাণী আটক, শিকার বা অবৈধভাবে সংরক্ষণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow