তিন দিনে বেলুচিস্তানে ২২ সেনা ও ১৯৭ সশস্ত্র সন্ত্রাসীর মৃত্যু

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে টানা তিন দিনের নিরাপত্তা অভিযানে ১৯৭ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে ২২ পাকিস্তানি সেনা শহীদ হয়েছেন বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা সূত্র। খবর জিও নিউজের।  নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, গত সপ্তাহান্তে বেলুচিস্তানের ১২টি এলাকায় একযোগে সন্ত্রাসী হামলার পর এই অভিযান চালানো হয়। হামলাগুলোয় কোয়েটা, মাসতুং, নুশকি, দালবন্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, তুম্প, গ্বাদর ও পাসনিসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করা হয়। সূত্র অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ৩৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। একই সঙ্গে ২২ সেনা ও নিরাপত্তা সদস্য প্রাণ হারান। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর জানায়, হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে ব্যাপক তল্লাশি ও পরিষ্কার অভিযান শুরু করে। এসব অভিযানে আত্মঘাতী হামলাকারীসহ বহু সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়। আইএসপিআর দাবি করেছে, এসব হামলার পেছনে বিদেশ থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক জড়িত ছিল এবং তাদের লক্ষ্য ছিল বেলুচিস্তানে স্বাভাবিক জীবন ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করা। উল্লে

তিন দিনে বেলুচিস্তানে ২২ সেনা ও ১৯৭ সশস্ত্র সন্ত্রাসীর মৃত্যু

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে টানা তিন দিনের নিরাপত্তা অভিযানে ১৯৭ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে ২২ পাকিস্তানি সেনা শহীদ হয়েছেন বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা সূত্র। খবর জিও নিউজের। 

নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, গত সপ্তাহান্তে বেলুচিস্তানের ১২টি এলাকায় একযোগে সন্ত্রাসী হামলার পর এই অভিযান চালানো হয়। হামলাগুলোয় কোয়েটা, মাসতুং, নুশকি, দালবন্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, তুম্প, গ্বাদর ও পাসনিসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করা হয়।

সূত্র অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ৩৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। একই সঙ্গে ২২ সেনা ও নিরাপত্তা সদস্য প্রাণ হারান।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর জানায়, হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে ব্যাপক তল্লাশি ও পরিষ্কার অভিযান শুরু করে। এসব অভিযানে আত্মঘাতী হামলাকারীসহ বহু সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়।

আইএসপিআর দাবি করেছে, এসব হামলার পেছনে বিদেশ থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক জড়িত ছিল এবং তাদের লক্ষ্য ছিল বেলুচিস্তানে স্বাভাবিক জীবন ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) বেলুচিস্তানে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে অন্যান্য প্রদেশের শ্রমিক ও বিদেশি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow