তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪০
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পৃথক দুটি গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ছাদিরপুর ও রফিনগর গ্রামে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাদিরপুর গ্রামে ধান শুকানোর জায়গা (খলা) নিয়ে হামিদ মিয়া ও হুসেন মিয়ার লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে সন্ধ্যায় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে হুসেন মিয়ার পক্ষের আহাদ নুর গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই সময়ে উপজেলার রফিনগর গ্রামে হাঁসে ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে শফিক মিয়া ও আশরাফ মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এই সংঘর্ষে শফিক মিয়ার পক্ষের গিয়াস উদ্দিন (৫৫) মারাত্মকভাবে জখম হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
পৃথক এই দুই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। তাদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পৃথক দুটি গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ছাদিরপুর ও রফিনগর গ্রামে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাদিরপুর গ্রামে ধান শুকানোর জায়গা (খলা) নিয়ে হামিদ মিয়া ও হুসেন মিয়ার লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে সন্ধ্যায় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে হুসেন মিয়ার পক্ষের আহাদ নুর গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই সময়ে উপজেলার রফিনগর গ্রামে হাঁসে ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে শফিক মিয়া ও আশরাফ মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এই সংঘর্ষে শফিক মিয়ার পক্ষের গিয়াস উদ্দিন (৫৫) মারাত্মকভাবে জখম হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
পৃথক এই দুই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। তাদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে গ্রাম দুটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে।