তুরস্ক ক্ষমা করলেও ইরাকে কুর্দিদের ওপর হামলা চালালো ইরান
নিষিদ্ধ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) সদস্যদের জন্য শর্তসাপেক্ষে ক্ষমার সুযোগ রেখে তুরস্কে একটি আইন পাশ করা হয়েছে। কয়েক দশকের প্রাণঘাতী সংঘাত অবসানের জন্য তুরস্ক এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলেও ইরাকে থাকা কুর্দিদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইরান। বুধবার (১২ আগস্ট) ইরাকের এরবিল প্রদেশে কুর্দিদের লক্ষ্য করে একাধিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা। রুদাও নিউজের তথ্য মতে, বুধবার সকালে এরবিল প্রদেশে সুরান, খালিফান ও হারিরিরে চারটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিধ্বস্ত হওয়া চারটি ড্রোনের মধ্যে দুটি খালিফান শহরের একটি গ্রামে, একটি সুরান শহরের একটি বাড়িতে এবং অন্য আরেকটি বানি হারিরের একটি পাহাড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। এদিকে, আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, গত সোমবার তুর্কি পার্লামেন্টে পিকেকে-এর পক্ষে ৪৬৮-৮৮ ভোটে বিলটি পাস হয়। ছয়জন আইনপ্রণেতা ভোটদানে বিরত ছিলেন। নতুন আইনে অস্ত্র ত্যাগকারী পিকেকের কিছু সদস্যকে সম্পূর্ণ সাধারণ ক্ষমা না দিয়ে শর্তসাপেক্ষে বেসামরিক জীবনে ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একে পা
নিষিদ্ধ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) সদস্যদের জন্য শর্তসাপেক্ষে ক্ষমার সুযোগ রেখে তুরস্কে একটি আইন পাশ করা হয়েছে। কয়েক দশকের প্রাণঘাতী সংঘাত অবসানের জন্য তুরস্ক এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলেও ইরাকে থাকা কুর্দিদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইরান।
বুধবার (১২ আগস্ট) ইরাকের এরবিল প্রদেশে কুর্দিদের লক্ষ্য করে একাধিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা।
রুদাও নিউজের তথ্য মতে, বুধবার সকালে এরবিল প্রদেশে সুরান, খালিফান ও হারিরিরে চারটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিধ্বস্ত হওয়া চারটি ড্রোনের মধ্যে দুটি খালিফান শহরের একটি গ্রামে, একটি সুরান শহরের একটি বাড়িতে এবং অন্য আরেকটি বানি হারিরের একটি পাহাড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে।
এদিকে, আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, গত সোমবার তুর্কি পার্লামেন্টে পিকেকে-এর পক্ষে ৪৬৮-৮৮ ভোটে বিলটি পাস হয়। ছয়জন আইনপ্রণেতা ভোটদানে বিরত ছিলেন। নতুন আইনে অস্ত্র ত্যাগকারী পিকেকের কিছু সদস্যকে সম্পূর্ণ সাধারণ ক্ষমা না দিয়ে শর্তসাপেক্ষে বেসামরিক জীবনে ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একে পার্টি) ও কুর্দিপন্থি ডিইএম পার্টির সমর্থনে বিলটি পাস হয়। আইনে কিছু অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া ও কারাদণ্ড পাঁচ থেকে ১০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার বিধান রয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে অনুসারীদের অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিলেন পিকেকের কারাবন্দি প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ ওজালান। তার আহ্বানের পর তুরস্কের সংঘাত অবসানের প্রক্রিয়ায় প্রথম আইনগত পদক্ষেপ হিসেবে আইনটি পাস হয়েছে।
তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় থাকা পিকেকে ১৯৮৪ সালে সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করে। দীর্ঘ এই সংঘাতে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মাধ্যমে কুর্দি অধ্যুষিত তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং কয়েক দশকের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজন তৈরি হয়েছে।
কেএম
What's Your Reaction?