তেল উৎপাদন নিয়ে কুয়েতের নতুন ঘোষণা
তেল উৎপাদন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কুয়েত। দেশটি তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় এ ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। শনিবার (০৭ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতের জাতীয় তেল কোম্পানি তেল উৎপাদন ও পরিশোধন কার্যক্রম আংশিকভাবে কমিয়ে ফোর্স মেজর ঘোষণা করেছে। রয়টার্সের দেখা একটি বাণিজ্যিক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরাক এবং কাতার তেল ও গ্যাস উৎপাদন কমিয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ হয়। কুয়েতের তেল কোম্পানি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং প্রণালী দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরানের হুমকির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পারস্য উপসাগর এলাকায় তেল পরিবহনের জন্য জাহাজের তেমন উপস্থিতি মেলেনি। কুয়েত ফেব্রুয়
তেল উৎপাদন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কুয়েত। দেশটি তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় এ ঘোষণা দিয়েছে দেশটি।
শনিবার (০৭ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতের জাতীয় তেল কোম্পানি তেল উৎপাদন ও পরিশোধন কার্যক্রম আংশিকভাবে কমিয়ে ফোর্স মেজর ঘোষণা করেছে। রয়টার্সের দেখা একটি বাণিজ্যিক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরাক এবং কাতার তেল ও গ্যাস উৎপাদন কমিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ হয়।
কুয়েতের তেল কোম্পানি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং প্রণালী দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরানের হুমকির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পারস্য উপসাগর এলাকায় তেল পরিবহনের জন্য জাহাজের তেমন উপস্থিতি মেলেনি।
কুয়েত ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক প্রায় ২৬ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করেছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তে ঠিক কতটা উৎপাদন কমানো হবে তা জানায়নি কেপিসি। কোম্পানিটি বলেছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে উৎপাদন আবার বাড়ানো হবে।
What's Your Reaction?