তেল ট্যাঙ্কার জব্দ: লাভ নাকি ট্রাম্পের ‘গলার কাটা’?

ইরান ও ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে তেল ও জ্বালানিবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করার অভিযান চালিয়ে আসছিলো যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। এর ধারাবাহিকতায় তেল ট্যাঙ্কার জব্দও করা হয়। এই তেল বিক্রি করে মার্কিন সরকার লাভবান হওয়ার কথা থাকলে তা এখন ‘গলার কাটা’য় পরিণত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের তেলবাহী জাহাজ জব্দের এসব অভিযান এখন অর্থনৈতিক দিক থেকে মার্কিন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। শুক্রবার (১৩ মার্চ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ডিসেম্বরে ভেনেজুয়েলার উপকূল থেকে ট্যাঙ্কার স্কিপার-৯৩০৪৬৬৭ জব্দ করা হয়। ভেনেজুয়েলা থেকে ছেড়ে আসা ওই ট্যাঙ্কারটি এশিয়ার দেশগুলোর জন্য প্রায় ১ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বহন করছিল। জাহাজটি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের খরচ ইতোমধ্যেই প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে যদিও এর বাজার মূল্য মাত্র ১০ মিলিয়ন ডলার। আগামী মাসগুলোতে বীমা, ক্রু ও অন্যান্য খরচে আরও প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার দেশটির ওয়াশিংটন আদালতের অনুমতি ছাড়া জব্দকৃত তেল বিক্রি করতে পারছে ন

তেল ট্যাঙ্কার জব্দ: লাভ নাকি ট্রাম্পের ‘গলার কাটা’?

ইরান ও ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে তেল ও জ্বালানিবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করার অভিযান চালিয়ে আসছিলো যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। এর ধারাবাহিকতায় তেল ট্যাঙ্কার জব্দও করা হয়। এই তেল বিক্রি করে মার্কিন সরকার লাভবান হওয়ার কথা থাকলে তা এখন ‘গলার কাটা’য় পরিণত হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের তেলবাহী জাহাজ জব্দের এসব অভিযান এখন অর্থনৈতিক দিক থেকে মার্কিন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ডিসেম্বরে ভেনেজুয়েলার উপকূল থেকে ট্যাঙ্কার স্কিপার-৯৩০৪৬৬৭ জব্দ করা হয়। ভেনেজুয়েলা থেকে ছেড়ে আসা ওই ট্যাঙ্কারটি এশিয়ার দেশগুলোর জন্য প্রায় ১ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বহন করছিল।

জাহাজটি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের খরচ ইতোমধ্যেই প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে যদিও এর বাজার মূল্য মাত্র ১০ মিলিয়ন ডলার। আগামী মাসগুলোতে বীমা, ক্রু ও অন্যান্য খরচে আরও প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার দেশটির ওয়াশিংটন আদালতের অনুমতি ছাড়া জব্দকৃত তেল বিক্রি করতে পারছে না। ফলে জব্দকৃত তেল বিক্রি করে যে লাভবান হওয়ার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন তা সম্ভব হচ্ছে না।

‘নিষিদ্ধ তেল পরিবহণকারী' জাহাজ আটক করে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কথা জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু বর্তমান যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, তেল ট্যাংকার জব্দ অভিযান এখন পর্যন্ত সরকারের জন্য লাভের বদলে বড় খরচ ও আইনগত জটিলতা তৈরি করেছে।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow