তোরা যা খুশি তাই ক, আমি কোনো কথা কমু না: মির্জা আব্বাস 

এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নির্বাচনে নেমেছি। কিন্ত পারছি না। ওরা যেভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বিএনপির বিরুদ্ধে, আমাদের বিরুদ্ধে আমার ধৈর্য ধরে রাখতে পারছি না। আমি সহ্য করতে পারছি না। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি। মির্জা আব্বাস বলেন, আমি আমার মনে কথার কিছুটা প্রকাশ আমি ঘটাতে চাই। তিনি বলেন, আজকেই প্রথম, আজকেই শেষ। তোরা যা খুশি তাই ক, আমি কোনো কথা কমু না। আর যাই হোক আমার গলায় সাইনবোর্ড লাগিয়ে শব্দ হবে না। যে আমার বাড়ি ঢাকা এবং শাহজাহানপুরে। আমার ঠিকানা আছে রে ভাই। যারা ঠিকানাবিহীন তারা বলেন, আমার বাড়ির অমুক জায়গায়, আমার বাড়ির অমুক জায়গায়। আমি ঠিকানাবিহীন লোক নই। এটা মাথায় রাখতে হবে। আমি এই দেশের একজন কর্মী। এই দেশকে স্বাধীন করা থেকে শুরু করে এই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য যা করা দরকার, সবকিছু করছি এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত

তোরা যা খুশি তাই ক, আমি কোনো কথা কমু না: মির্জা আব্বাস 

এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নির্বাচনে নেমেছি। কিন্ত পারছি না। ওরা যেভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বিএনপির বিরুদ্ধে, আমাদের বিরুদ্ধে আমার ধৈর্য ধরে রাখতে পারছি না। আমি সহ্য করতে পারছি না।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমি আমার মনে কথার কিছুটা প্রকাশ আমি ঘটাতে চাই। তিনি বলেন, আজকেই প্রথম, আজকেই শেষ। তোরা যা খুশি তাই ক, আমি কোনো কথা কমু না। আর যাই হোক আমার গলায় সাইনবোর্ড লাগিয়ে শব্দ হবে না। যে আমার বাড়ি ঢাকা এবং শাহজাহানপুরে। আমার ঠিকানা আছে রে ভাই। যারা ঠিকানাবিহীন তারা বলেন, আমার বাড়ির অমুক জায়গায়, আমার বাড়ির অমুক জায়গায়। আমি ঠিকানাবিহীন লোক নই। এটা মাথায় রাখতে হবে। আমি এই দেশের একজন কর্মী। এই দেশকে স্বাধীন করা থেকে শুরু করে এই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য যা করা দরকার, সবকিছু করছি এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত করবো ইনশাআল্লাহ। তবে এই দেশকে কোনো প্রতারকের হাতে, কোনো ধান্দাবাজের হাতে, কোনো কসাইয়ের হাতে, এই দেশটাকে পড়তে দেবো না।

এনসিপির নেতাদের ইঙ্গিত দিয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ওরা যোদ্ধা। আর আমরা তো মুক্তিযোদ্ধা। আমরা একটা দেশ স্বাধীন করেছি। তোমরা কি স্বাধীন করেছো? তোমরা একটা অপশক্তিকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছো ঠিক আছে। আমি স্বীকার করি। কিন্তু আমরাও আমাদের বয়সে একসময় এরশাদের মতো, হাসিনার মতো স্বৈরতন্ত্রের পতন ঘটিয়েছি। আমরা মুক্তিযুদ্ধের পরে যে যার কাজে ফেরত গিয়েছিলাম। আমরা কিন্তু বলি নাই আমাদের মন্ত্রী বানাতে হবে। আমরা যার যার কাজে ফিরে চলে গেছি। আমরা কলেজে পড়তাম, ইউনিভার্সিটিতে পড়তাম। পড়াশোনা করতে চলে গেছি। তোমাদের মতো লোভ করিনি। তোমরা আজকে লোভ করছো। এই লোভটা আমরা করিনি। সুতরাং এত পাগল হওয়ার কি আছে ভাই? বয়স কম। রাজনীতি শেখো। ধীরে ধীরে রাজনীতি করো। দেশের উন্নতি করো। আমরা কামনা করি। আমরা তোমাদের রাস্তায় ফুল বিছিয়ে দেবো রাজনীতি করার জন্য। কিন্তু অপকর্ম করার জন্য কোনো কাজ যদি করো তার জবাব আমরা দিতে পারি ইনশাল্লাহ।

আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

কেএইচ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow